“বিএনপিকে ঘিরে দেশ-বিদেশে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। ধর্মের নামে যারা বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে, তারাই এসব ষড়যন্ত্রে লিপ্ত”—বিএনপির জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস. এম. জিলানী এসব কথা বলেন।
৩ আগষ্ট (রোববার) বিকালে নগরীর মুরাদপুরে এলজিইডি ভবনের অডিটোরিয়ামে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, “যারা সংস্কারের কথা বলছেন, তারা নিজেরা কোনো প্রস্তাবও দেয়নি। অথচ বিএনপি ২০২৩ সালেই সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে। যারা বিএনপিকে নির্বাচনবিমুখ বলছে, তারাই আবার ৩০০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে—এটাই কি মুনাফিকি নয়?”
এস. এম. জিলানী বলেন, “বিএনপি কোনোভাবেই অবৈধভাবে ক্ষমতায় যেতে চায় না। আমরা জনগণের ম্যান্ডেটেই ক্ষমতায় যেতে চাই। দলের অভ্যন্তরে মতভেদ থাকলেও তা কমিয়ে এনে ঐক্যবদ্ধভাবে ৩১ দফা বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।”
তিনি নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেন, “স্বৈরাচার বিদায় নিলেও ষড়যন্ত্র শেষ হয়নি। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার এখনও ফিরে আসেনি। ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সবাইকে অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করতে হবে।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন বুলু। সঞ্চালনায় ছিলেন সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জমির উদ্দিন নাহিদ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেন এবং যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক মাঈনউদ্দিন রাশেদ, সিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, জহিরুল হক টুটুল, এম. আবু বক্কর রাজু, রাজীম উদ্দিন আকন্দ, মহসিন কবির আপেল, রিফাত হোসেন শাকিল, দিদার হোসেন, হারুনুর রশিদ, গোলাম সরোয়ার, আব্দুল হালিম গুড্ডু, মো. আলমগীর, আব্দুল আহাদ রিপন, কামরুল হাসান, এন. মোহাম্মদ রিমন, আরিফুর রহমান চৌধুরী, মো. ইফতেখার উদ্দিন নিবলু, তাজুল ইসলাম নয়ন প্রমুখ।