
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, ভারত সবসময় বাংলাদেশকে নিয়ে একটি স্থিতিশীল, ইতিবাচক ও ভবিষ্যতমুখী সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান ও সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে দাঁড়াবে এবং এই অংশীদারিত্বে জনগণই হবে মূল অংশীদার।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (এনডিসি) ২০২৫ সালের কোর্স অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ আহ্বান জানান হাইকমিশনার। এ তথ্য ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে।
প্রণয় ভার্মা বলেন, ভৌগোলিক নৈকট্য, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ আকাঙ্ক্ষাকে কাজে লাগিয়ে ভারত ও বাংলাদেশ পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে পারে। ভারতের পররাষ্ট্রনীতি ও উন্নয়ন কৌশল তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশ্বের সঙ্গে ভারতের ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার, বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার সংস্কার এবং গ্লোবাল সাউথের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এসব উদ্যোগ ভারতের অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও দ্রুত উন্নয়ন নিশ্চিত করছে।
তিনি ভারতের “প্রতিবেশী প্রথম” নীতি, “অ্যাক্ট ইস্ট” নীতি, মহাসাগর কৌশল ও ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশনের আলোকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি ভিশনও তুলে ধরেন।
হাইকমিশনার আরও বলেন, আঞ্চলিক দুই গুরুত্বপূর্ণ অর্থনীতি হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশ বিমসটেকের মাধ্যমে আঞ্চলিক সংহতি ত্বরান্বিত করতে পারে। সংস্থাটির সদরদপ্তর ঢাকায় অবস্থিত এবং এটি দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রবৃদ্ধির সুযোগকে সংযুক্ত করছে।
আপনি চাইলে আমি এই প্রতিবেদনের জন্য কয়েকটি বিকল্প শিরোনাম সাজিয়ে দিতে পারি। চাইবেন কি?