
রাউজানের প্রাণকেন্দ্র মুন্সিরঘাটস্থ সার্বজনীন শ্রী শ্রী রাস বিহারী মন্দিরে ছয় দিনব্যাপী রাস উৎসবের চতুর্থ দিনে বক্তব্য রাখছেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।
ছয় দিনব্যাপী রাস উৎসবের চতুর্থ দিনের অনুষ্ঠানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান (স্থগিত) ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন,
“রাস উৎসব রাউজানের ঐক্য, শান্তি ও শতবর্ষের ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অনন্য প্রতীক। একসময় রাউজান ছিল ধর্মীয় সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। রাস উৎসব শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি রাউজানের সংস্কৃতি, মিলনমেলা ও মানবতার বার্তা বহন করে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে এতে অংশ নিতে হবে—তবেই সমাজে প্রকৃত শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা পাবে।”
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে রাউজানের মুন্সিরঘাটাস্থ সার্বজনীন শ্রী শ্রী রাস বিহারী মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, “আমি সবসময় রাউজানের উন্নয়ন, শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে পাশে থাকতে চাই। রাস উৎসব পারস্পরিক ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও মানবতার সেতুবন্ধন গড়ে তোলে। এ ঐতিহ্যকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রী শ্রী রাস উৎসব উদযাপন পরিষদের আহবায়ক মিনাল দাশ।
সভা সঞ্চালনা করেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অরুণ পালিত বাসু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু জাফর চৌধুরী।
সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মঞ্জুরুল হক মঞ্জু।
সাবেক কাউন্সিলর রেজাউর রহিম আজম।
রাস উদযাপন পরিষদের সচিব দেবাশীষ দাশগুপ্ত।
উপদেষ্টা অরুণ দাশগুপ্ত, সুভাষ ভট্টাচার্য।
শ্রী শ্রী রাস বিহারী মন্দির পরিচালনা কমিটির সম্পাদক অনুপম দাশগুপ্ত।
সহ-সভাপতি অলক দাশগুপ্ত, অর্থ সম্পাদক কুসুম দাশগুপ্ত।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুমন দাশ ও সহ সভাপতি টিপু কান্তি দে।
উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপক দে।
পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুদীপ দে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা সহিদ চৌধুরী, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি তছলিম উদ্দিন ইমন, যুবদল নেতা আব্দুল শুক্কুর, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, মোহাম্মদ আলী সুমন, আজগর আলী, তাপস দাশগুপ্ত, বরুণ দাশগুপ্ত, রিপন দাশগুপ্ত, সুজন দাশগুপ্ত, বিকাশ দাশ, সুমন ঘোষ, সিদুল পালিত, মিলন পালিত প্রমুখ।
রাউজানের সার্বজনীন শ্রী শ্রী রাস বিহারী মন্দিরে প্রতিবছরের মতো এবারও ছয় দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভক্ত-অনুরাগী ছাড়াও সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের মানুষ এতে যোগ দিয়ে উৎসবকে পরিণত করেছেন মিলনমেলায়।