বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:৩৫ অপরাহ্ন

একেখান মোড় থেকে সীতাকুন্ড পর্যন্ত মানববন্ধন: আসলাম চৌধুরীর পক্ষে জনতার জোয়ার

বার্তা টুডে ডেস্ক
  • শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০৮

চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুন্ড (আংশিক আকবরশাহ–পাহাড়তলী) সংসদীয় আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের একেখান মোড় থেকে সীতাকুন্ডের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা এই ব্যতিক্রমী মানববন্ধনে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থকসহ নানা শ্রেণি–পেশার হাজারও মানুষ অংশ নেন। পুরো মহাসড়কজুড়ে বিভিন্ন স্পটে মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে আসলাম চৌধুরীর নাম ধরে শ্লোগান দেন এবং তার মনোনয়ন কেন সময়ের দাবি—তা ব্যাখ্যা করেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।

সীতাকুন্ড উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন, ১টি পৌরসভা এবং মহানগরীর ২টি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে মহাসড়ক পরিণত হয় জনসমুদ্রে। ব্যানার, ফেস্টুন, স্লোগানে মুখরিত ছিল পুরো সীতাকুন্ড এলাকা।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লোকজন বলেন, “আসলাম চৌধুরী শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন; তিনি সীতাকুন্ডের মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী। দলীয় দুঃসময়ে তিনি যা ত্যাগ করেছেন, তার তুলনা নেই।”

বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক কারণে চার দফায় প্রায় ১১ বছর কারাবন্দী থেকেও আসলাম চৌধুরী কোনো আপোষ করেননি। কারাগারে থাকা অবস্থায় দুই ভাইকে হারিয়েছেন, তবু মনোবল ভাঙেনি তার।

নিজের ব্যবসা–বাণিজ্য ও পারিবারিক স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে তিনি সবসময় দলের নীতি আদর্শ আঁকড়ে রেখেছেন।

এমন সাহসী, আদর্শবান এবং ত্যাগী নেতাকে মনোনয়ন না দেওয়া মানে সমাজ ও রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রতি অবজ্ঞা।”

মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, বিএনপির রাজনৈতিক সংগ্রামের শুরু থেকেই আসলাম চৌধুরী রাজপথের লড়াইয়ে ছিলেন সামনের কাতারে।

হামলা-মামলা, কারাদণ্ড—কিছুই তার আন্দোলনকে থামাতে পারেনি। তাই সীতাকুন্ডের সাধারণ মানুষ তার নেতৃত্বের ওপর আস্থাশীল।

স্থানীয়রা বলেন, “চট্টগ্রাম-৪ আসনের মাটি ও মানুষের সঙ্গে তার যে সম্পর্ক, তা কারো সঙ্গে তুলনীয় নয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা, কর্মসংস্থান—সবক্ষেত্রেই তিনি পাশে ছিলেন।”

তারা জানান, তিনি অর্থশালী হয়েও শহরে বাড়ি না বানিয়ে এলাকায় থেকেই মানুষের সেবা করার নীতি অনুসরণ করেছেন। তাই সাধারণ মানুষের মতে, তার মনোনয়ন না পাওয়া হবে এলাকার জন্য বড় দুর্ভাগ্য।

রাজপথজুড়ে ভেসে আসে হৃদয়ছোঁয়া স্লোগান—
“জেলখানার আসলাম ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই…”
“দুর্দিনের আসলাম ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই…”

এসব শ্লোগানে মহাসড়ক জুড়ে সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিবেশ।

মানববন্ধনে শুধু দলীয় নেতাকর্মী নন, অংশ নেন ব‍্যবসায়ী, শ্রমিক, কৃষক, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ। বক্তব্যে তারা বলেন— “এমন পরোপকারী ও মানবিক নেতৃত্বই আমাদের এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে।”

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো খবর