বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন

“কৃষি-বিপ্লব থেকে রেমিট্যান্স—সবই জিয়ার ভিশন”—চবি সেমিনারে ব্যারিস্টার হেলাল

বার্তা টুডে ডেস্ক
  • রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬৯

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী পরিবারের উদ্যোগে মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনার ও আলোচনা সভায় বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং হাটহাজারী–বায়েজিদ সংসদীয় আসনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন—“সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে শহীদ জিয়া জাতিকে যে পথ দেখিয়েছিলেন, সেই পথেই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত হবে।”

তিনি বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানই প্রথম জাতিকে পরিচয় দিয়েছেন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে, দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে কৃষি ও শিল্প বিপ্লবের ভিত্তি রচনা করেছেন এবং নিরপেক্ষ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে সার্ক, ওআইসি–কে শক্তিশালী করে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠা করেছেন।

বর্তমান বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনও যে তিনটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে—কৃষি বিপ্লব, তৈরি পোশাক খাত এবং রেমিট্যান্স—এই তিনটিই শহীদ জিয়ার প্রবর্তিত ভিশনারি নেতৃত্বের ফল বলে উল্লেখ করেন ব্যারিস্টার হেলাল।

২৩ নভেম্বর (রবিবার) বিকেলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন সায়েন্স অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ সেমিনার ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম চবি শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মোঃ জাহিদুর রহমান চৌধুরী এবং সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন।

সেমিনার উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. শফিকুল ইসলাম, প্রফেসর মোঃ মহিউদ্দিন, প্রফেসর ড. মনজুরুল কিবরিয়া, চাকসুর এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক, চবি ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোঃ ইয়াছিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয়, প্রফেসর এজিএম নিয়াজউদ্দীন, হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ এবং বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এম এ সবুর।

আইন অনুষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাফরুল্লাহ, জিইন তথ্য বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আল ফোরকান, হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব গিয়াস উদ্দিন চেয়ারম্যানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো খবর