
নারীদের অবহেলা করে কিংবা পিছিয়ে রেখে কোনোভাবেই দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, নারীদের মর্যাদা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই একটি আধুনিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) খুলনা নগরীর খালিশপুরের প্রভাতী স্কুল মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান অভিযোগ করে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে একটি রাজনৈতিক দল নিজেদের ইসলামী শাসনের দাবিদার হিসেবে তুলে ধরলেও নির্বাচনের আগে নারীদের নিয়ে অসম্মানজনক ও অবমাননাকর মন্তব্য করছে। এতে তাদের প্রকৃত মানসিকতা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, “এরা শুধু নিজেদের সংকীর্ণ স্বার্থ নিয়েই রাজনীতি করছে, সাধারণ মানুষ বা নারীদের অধিকার নিয়ে তাদের কোনো ভাবনা নেই।”
জনসভায় তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল আইডি হ্যাকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছড়ানো তথ্যকে ‘মিথ্যাচার’ আখ্যা দেন এবং বলেন, এসব অপপ্রচার পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি তৈরির জন্য করা হচ্ছে।
নারীদের ভূমিকা প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, একটি মহল নারীদের ঘরের মধ্যে বন্দি করে রাখতে চায়। এমনকি তাদের দলের একজন শীর্ষ নেতা প্রকাশ্যেই নারীদের অসম্মান করেছেন। অথচ ইসলামের ইতিহাসেই দেখা যায়, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর সহধর্মিণী বিবি খাদিজা (রা.) ছিলেন একজন কর্মমুখী, আত্মমর্যাদাশীল ও সফল ব্যবসায়ী নারী। “ইসলামের দৃষ্টান্তকে বিকৃত করে যারা নারীদের অবমূল্যায়ন করে, তারা প্রকৃত ইসলামও বোঝে না,”—বলেন তিনি।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, একটি মহল এখন থেকেই বলার চেষ্টা করছে যে ভোট গণনায় অনেক সময় লাগবে। এর মাধ্যমে নতুন করে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি জনগণকে এসব অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
জনসভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ছাড়াও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত