বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন

মনেয়াবাদে জামে মসজিদের বার্ষিক আয়োজন, আলেমদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা

বার্তা টুডে ডেস্ক
  • সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৯

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার পুরানগড় ইউনিয়নের মনেয়াবাদ গ্রামে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে মনেয়াবাদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের তৃতীয়বারের মতো বার্ষিক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২২ মার্চ) বাদে আসর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, আলেম-ওলামা ও সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও দানবীর লায়ন মুহাম্মদ আমান উল্লাহ আমান, যিনি মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্বলবুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আকতার উদ্দিন।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ জামশেদ গিয়াসউদ্দিন। তিনি তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “একটি আদর্শ সমাজ গঠনে মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তরুণ প্রজন্মকে নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মসজিদের ভূমিদাতা তৌহিদ খান। এছাড়া প্রধান বক্তা হিসেবে আলোচনা পেশ করেন আঞ্চলিক ভাষার প্রখ্যাত বক্তা অধ্যাপক মাওলানা মাহমুদুল হাসান, সাবেক অধ্যাপক, পতেঙ্গা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, চট্টগ্রাম। তিনি তাঁর বক্তব্যে ইসলামের মৌলিক শিক্ষার ওপর আলোকপাত করেন এবং সমাজে নৈতিকতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবিকতা জাগ্রত করার আহ্বান জানান।

বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন মনেয়াবাদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আরিফুল ইসলাম জিহাদী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা খায়ের আহমেদ ও মাওলানা শফিকুল ইসলাম নেজামী।

পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাওলানা রাশেদুল ইসলাম। এতে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে তানজিম আহমেদ, কুরবান আলী, নাইম উদ্দীন শিবলু প্রমুখের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।

দীর্ঘ সময়ব্যাপী এ আয়োজনের শেষ পর্যায়ে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া শেষে উপস্থিত মুসল্লিদের মাঝে এক ধরনের আধ্যাত্মিক প্রশান্তি বিরাজ করে এবং পরস্পরের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো খবর