
চট্টগ্রামের দক্ষিণ চিবাড়ীতে অবস্থিত একাধিক দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আগামী ১০ এপ্রিল ২০২৬, রোজ শুক্রবার (জুমাবার) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২৭তম বার্ষিক সভা, পুরস্কার বিতরণ ও দস্তারবন্দী অনুষ্ঠান। দিনব্যাপী এই আয়োজন ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ চিবাড়ী মহিলা (আলিম) মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে। আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—দক্ষিণ চিবাড়ী মহিলা (আলিম) মাদ্রাসা, চিবাড়ী বায়তুশ শরফ শাহ্ জব্বারিয়া হেফজখানা ও এতিমখানা, আল-হামেদী দারুল হুফফাজ একাডেমি, চিবাড়ী বায়তুশ শরফ আল-হামেদী ইনস্টিটিউট এবং উম্মুল খায়ের হালিমা খাতুন নূরানী একাডেমি। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্ব সোলায়মানের অবদান স্মরণ করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হবে।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রখ্যাত ওলামায়ে কেরাম, বুজুর্গানে দ্বীন ও বিশিষ্ট গুণীজনদের উপস্থিতি প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিলেটের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন মাওলানা এম. হাসিবুর রহমান। সমাপনী বক্তব্য প্রদান করবেন চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লাহ শাহী জামে মসজিদের খতিব সৈয়দ আনোয়ার হোসেন তাহের জাবেরি আল মাদানী।
অনুষ্ঠানে কোরআন হিফজ সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের দস্তারবন্দী করা হবে এবং বিভিন্ন শ্রেণিতে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হবে। একইসঙ্গে দ্বীনি শিক্ষা বিস্তারে অবদান রাখা শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের সম্মাননা প্রদান করা হবে।
এন্তেজামিয়া কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাহফিলে এলাকার সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীদের উপস্থিতি কামনা করা হচ্ছে।
কমিটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক দাওয়াত বার্তায় বলা হয়, “উক্ত মাহফিলে আপনি স্ব-বান্ধবে বিশেষভাবে আমন্ত্রিত। দ্বীনি এই মহতী আয়োজন সফল করতে সকলের সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।”
অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন প্রধান পৃষ্ঠপোষক নুরুল আবছার, চেয়ারম্যান, মধুবন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ; এমডি, ফুলকলি গ্রুপ আলহাজ্ব শাহ আলম; এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সভাপতি আলহাজ্ব এম. এ. শুকুর, যিনি বনফুল এন্ড কোং-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, এই বার্ষিক আয়োজন দ্বীনি শিক্ষার প্রসার, নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।