বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন

সাতকানিয়ায় দখল-ভরাটে অচল খাল, চরম ভোগান্তিতে কেওঁচিয়ার কৃষক

মিজানুর রহমান রুবেল, সাতকানিয়া
  • বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৮

চট্টগ্রাম সাতকানিয়া উপজেলার কেওঁচিয়া ইউনিয়নের চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের পাশেই দীর্ঘদিন ধরে খালটি অবৈধভাবে দখল এবং ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে ব্যাহত হচ্ছে পানি প্রবাহ। এছাড়াও খাল দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে একাধিক বানিজ্যিক স্থাপনা, ভরাট হয়ে যাওয়ায় একদিকে যেমন ব্যাহত হচ্ছে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ, অন্যদিকে কৃষি উৎপাদনেও পড়েছে মারাত্মক প্রভাব। বোরো মৌসুমে প্রায় ২০০ একর জমি অনাবাদি থাকছে পানির অভাবে। বর্ষা এলে আবার দেখা দিচ্ছে জলাবদ্ধতা ।

গুরুত্বপূর্ণ এই খালটি এখন প্রভাবশালীদের দখলে, চরম ক্ষতির মুখে পড়ছেন স্থানীয় কৃষকরা। এছাড়া খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে বর্ষা মৌসুমে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা, উজান থেকে নেমে আসা ও পাহাড়ী ঢলের পানি ও প্রবাহিত হতে পারছে না।

২০২৩ সালে বন্যার সময় পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় তলিয়ে যায় মহাসড়ক ও রেললাইন। স্থানীয়দের অভিযোগ অবৈধভাবে দখল ও ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে এমন পরিস্থিতি হয়েছিল।

গুরুত্বপূর্ণ এই খালটি দখল আর ভরাটের কারণে একদিকে যেমন কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ বাড়ছে।দ্রুত দখলমুক্ত করে খালটি খনন করার দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয়রা জানান, খালটি তে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছোঁয়া লেগে আছে,একসময় এই কাল তিনি খনন করেছিলেন। দীর্ঘদিনের পুরনো এই খালটি দখলমুক্ত করে পুনরায় খনন করবে বিএনপি সরকার এমনটাই প্রত্যাশা করেন স্থানীয় কৃষক ও কেওঁচিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ।

১০ নং কেওঁচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃমহসিন বলেন, নয়াখাল থেকে কেরানী হাট পর্যন্ত একটা খাল ছিল, আমরা আগে দেখেছি বিভিন্ন সময়ে খালে জোয়ারের পানি আসত,কৃষি চাষ হতো,খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি সংকটের কারণে চাষাবাদ করা যাচ্ছে না। খালটি খনন করা হলে কৃষক উপকৃত হবে।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)
খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন খাল খনন ও উদ্ধারের বিষয়ে, ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন অবৈধভাবে দখল হওয়া খাল উদ্ধার করার ব্যাপারে, শীঘ্রই দখল হওয়া খাল উদ্ধার করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো খবর