
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু বলেছেন, “ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতনের পর রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে থাকা দলগুলো এখন পারস্পরিক দ্বন্দ্বে লিপ্ত।”
তিনি বলেন, “একদিকে বিএনপি, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে চলমান এই দ্বন্দ্ব ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর পুনরুত্থানের পথ সুগম করছে।” তাই ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল ও পেশাজীবী সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আজ ২৫ জুলাই (শুক্রবার) সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন এবি পার্টির সভাপতি। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব সদস্য সচিব মো. জাহিদুল করিম কচি এবং সঞ্চালনা করেন বৈশাখী টিভির ব্যুরো প্রধান গোলাম মওলা মুরাদ।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম মহানগরের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক, কেন্দ্রীয় নেতা লে. কর্নেল (অব.) দিদারুল আলম পিএসসি, ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ লোকমান, ছিদ্দিকুর রহমান, অ্যাডভোকেট সৈয়দ আবুল কাসেম, হায়দার আলী চৌধুরী প্রমুখ।
সাংবাদিক নির্যাতনের প্রসঙ্গে মঞ্জু বলেন, “ফ্যাসিবাদের শিকার হয়েছিল ইসলামিক টিভি, দিগন্ত টিভি, আমার দেশ, চ্যানেল ওয়ানসহ বহু গণমাধ্যম। বহু সাংবাদিক বেকার হয়েছেন। আমি ও মাহমুদুর রহমানকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্য করতেও বাধা দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ যদি রিকনসিলিয়েশন চায় তবে তাদের জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। গুম, খুন, লুটপাটের পরও যারা গলা উঁচু করে কথা বলেন, তাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।”
তিনি অভিযোগ করেন, “কিছু ‘দলকানা সাংবাদিক’ দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদদের শেল্টার দিয়েছেন, এমনকি সাধারণ মানুষকে গুলি করতে উৎসাহও দিয়েছেন।”
মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, “যাত্রাবাড়ী ও ভান্ডারিয়ায় আন্দোলনে নতুন প্রজন্ম যেভাবে সাহস দেখিয়েছে, তা আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের নতুন ধারা। ঐক্য ও সংহতির প্রশ্নে কোনো ছাড় নেই।”