
চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও দেশের রাজনৈতিক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে প্রয়াত জননেতা আব্দুল্লাহ আল নোমানের অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, “আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন চট্টগ্রামের উন্নয়নের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
আজ ২৫ জুলাই (শনিবার) চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, “আবদুল্লাহ আল নোমান একজন প্রগতিশীল, ধর্মভীরু এবং সৎ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি দুই মেয়াদে মন্ত্রী হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর মতো দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজন।”
উপদেষ্টা আরও বলেন, “চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয় হয়তো এখানে থাকতো না, যদি তিনি সময়মতো দৃঢ় অবস্থান না নিতেন। পাথরঘাটা মহিলা কলেজ, এনায়েত বাজার মহিলা কলেজ, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, জেনারেল হাসপাতাল, কর্ণফুলী সেতুসহ নানা উন্নয়ন প্রকল্পে তাঁর অবদান চট্টগ্রামবাসী কখনো ভুলবে না।”
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন সিভাসুর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লৎফর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী খান, জাহিদুল করিম কচি, প্রফেসর ড. পরিতোষ কুমার বিশ্বাস, প্রফেসর ড. এ কে এম সাইফুদ্দিন, প্রফেসর ড. সিকান্দার খান, ড. মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, মরহুম আব্দুল্লাহ আল নোমানের পুত্র সাঈদ আল নোমান এবং কন্যা তাজীন নোমান নুমা।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিভাসুর প্রক্টর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং “সিভাসুর গল্প এবং জননেতা নোমান সাহেবের অবদান” শীর্ষক উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মো. আহসানুল হক।