শিরোনাম
পাহাড়তলী ডিজেল শপে এক-তৃতীয়াংশ জনবল, জোড়াতালিতে সচল শত শত ইঞ্জিন ব্যবসার জটিলতা কাটাতে উদ্যোক্তাদের হাতে দক্ষতার প্রশিক্ষণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে কর্ণফুলীতে মশক নিধন অভিযান ও সচেতনতামূলক র‍্যালি বাঁশখালীতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে কোরআন, নৈতিক সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে মনির আহমদ ফাউন্ডেশন প্রধানমন্ত্রীকে ‘নব্য ফ্যাসিবাদের পাহারাদার’ বললেন নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী চন্দনাইশে সাতবাড়ীয়া নাজিরহাট ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে মাহফুজ-রবিউলের হ্যাটট্রিক ঝুঁকি নিয়ে নেপালের দুর্যোগের চিত্র তুলে ধরায় শহীদুল ইসলাম বাবরকে ফুলেল শুভেচ্ছা হাসপাতালের প্রবৃদ্ধির নতুন সুযোগ: নতুন রোগীর পাশাপাশি পুরোনো রোগীকেও বুঝতে হবে সাতকানিয়া কালিয়াইশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও সংবর্ধনা পটিয়ার হাফেজ শিক্ষার্থীদের জন্য নাহার পার্কে বিনামূল্যে ভ্রমণের সুযোগ
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন

চন্দনাইশে বন্যার্তদের পাশে ইসলামী ফ্রন্ট চেয়ারম্যান এম এ মতিন, পুনর্বাসনে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান

জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী চন্দনাইশ প্রতিনিধি: / ১৯৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

টানা ছয় দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা ভয়াবহ বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। এতে চন্দনাইশ পৌরসভাসহ বরকল, বরমা, সাতবাড়ীয়া, বৈলতলী, হাশিমপুর, ধোপাছড়ি, চাগাচর এবং পার্শ্ববর্তী সাতকানিয়ার কেওচিয়া, বাজালিয়া, ধর্মপুর, কালিয়াইশ ও দোহাজারী এলাকার সাঙ্গু নদী তীরবর্তী জনপদে হাজারো পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

এমন দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মাওলানা এম এ মতিন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং সংগঠনের উদ্যোগে পঞ্চম দফায় অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ করেন।

ত্রাণ বিতরণকালে বন্যাদুর্গত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য পীরজাদা মোহাম্মদ গোলামুর রহমান আশরাফ শাহ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. জালাল উদ্দিন আজহারী, প্রকাশনা সচিব ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আবু আজম, সহকারী প্রকাশনা সচিব মাওলানা নুরুল্লাহ রায়হান খান, শ্রম ও কৃষি সচিব এম মহিউল আলম চৌধুরী, প্রচার উপ-কমিটির সদস্য উপাধ্যক্ষ মাওলানা সোহাইল উদ্দিন আনসারী, কেন্দ্রীয় যুবসেনার সভাপতি অধ্যক্ষ ডা. এস এম সরওয়ার, দক্ষিণ জেলা ইসলামী ফ্রন্টের সভাপতি মাওলানা ফেরদৌসুল আলম আল-কাদেরী, আনজুমানে খোদ্দামুল মুসলেমীন ওমান কেন্দ্রীয় পরিষদের মাওলানা সাইফুদ্দীন কাদেরী, সোহেল রেজা, ইসলামী ফ্রন্ট কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটির মাওলানা আবুল কাশেম, মদিনা মনোয়ারা শাখার সাবেক সভাপতি করিম উদ্দিন নুরি, পটিয়া উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা ইয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু, চন্দনাইশ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা সোলাইমান ফারুকী এবং দক্ষিণ জেলা ইসলামী ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আলী হোসাইন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ ইসলামী ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর ইসলাম বঈদী, চন্দনাইশ উপজেলা ইসলামী ফ্রন্টের সভাপতি মাওলানা ফয়েজ উল্লাহ খতিবী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ আমিন উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সরোয়ার উদ্দিন, অ্যাডভোকেট জি এম শাহাদাত হোসাইন মানিক, ছাত্রসেনার কেন্দ্রীয় সভাপতি আজাদ হোসাইন, পৌরসভা ইসলামী ফ্রন্টের সভাপতি মাওলানা মাজহার হেলাল, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবু তালেব, যুবনেতা মামুন উদ্দিন সিদ্দিকী, আনোয়ার হোসাইন, মিজানুল হক, মুরশেদুল আলম টিপু, মো. মুবিন, মুহাম্মদ জালাল উদ্দীন, উপজেলা ছাত্রসেনার সভাপতি রাজিব হোসেন রিফাতসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

ত্রাণ বিতরণ শেষে বক্তব্যে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মাওলানা এম এ মতিন বলেন, “বন্যাকবলিত মানুষের শুধু তাৎক্ষণিক ত্রাণ নয়, টেকসই পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।” তিনি সরকারের প্রতি দক্ষিণ চট্টগ্রামকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিত উন্নয়নের অভাব, পর্যাপ্ত ও বিজ্ঞানসম্মত ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংকট, যত্রতত্র বসতবাড়ি নির্মাণ এবং বেড়িবাঁধ নির্মাণে অনিয়মের কারণে দক্ষিণ চট্টগ্রামে বারবার ভয়াবহ জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষকে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চলমান বন্যায় বহু ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক পরিবার এখনও নিরাপদ আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর সংকটে রয়েছে। তারা সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে দ্রুত পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ