শিরোনাম
নাঙ্গলমোড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বরাদ্দ টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযান: দেশীয় মদসহ দুই মাদক কারবারি আটক ‘কিছু ব্যবসায়ী কি ভোক্তাদের আদিম যুগে ফেরত নিতে চান?’—ক্যাব চট্টগ্রাম জিইসির আল-হেলাল হোটেলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ৩ লাখ টাকা জরিমানা পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের অডিট আপত্তি: যমুনা টিভির প্রতিবেদন ‘ভুল ব্যাখ্যাভিত্তিক’ দাবি রেলের সাতকানিয়ার ইউএনওর বিরুদ্ধে প্রচারণা: প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, নাকি স্বার্থের সংঘাত? চট্টগ্রাম ওয়াসায় পিপিপি প্রকল্প উন্নয়ন বিষয়ক ৩ দিনব্যাপী বুটক্যাম্প শুরু ২,৭১২ কোটি টাকার এনসিটি যাচ্ছে ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে, বিনিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন লালদিয়ায় আধুনিক বন্দর নির্মাণ করবে এপিএম টার্মিনালস: অর্থমন্ত্রী বাঁশখালীতে ‘আমার গ্রামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের অডিট আপত্তি: যমুনা টিভির প্রতিবেদন ‘ভুল ব্যাখ্যাভিত্তিক’ দাবি রেলের

জাহাঙ্গীর আলম / ৭৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের অডিট আপত্তি নিয়ে গত ২৬ আগস্ট যমুনা টিভিতে প্রচারিত প্রতিবেদনকে মিথ্যা, বানোয়াট, ভুল ব্যাখ্যাভিত্তিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। একই সঙ্গে প্রচারিত প্রতিবেদনের তথ্য পুনরায় যাচাই করে তা প্রত্যাহারের জন্য যমুনা টিভির প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় এ প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদপত্রে বলা হয়, যমুনা টিভিতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওপর প্রচারিত প্রতিবেদনটি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে হয়েছে। অডিট আপত্তির একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রতিবেদনে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালককে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ কারণে প্রতিবেদনটির বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বাংলাদেশ রেলওয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে।

রেলওয়ের দাবি, যমুনা টিভির মতো একটি স্বনামধন্য গণমাধ্যমের কাছ থেকে সঠিক তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া এমন প্রতিবেদন প্রচার প্রত্যাশিত নয়। প্রতিবাদপত্রে অভিযোগ করা হয়, প্রতিবেদক কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালককে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিতর্কিত করার জন্য প্রতিবেদনটি তৈরি করে থাকতে পারেন। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ প্রতিবাদপত্রে উল্লেখ করা হয়নি।

প্রতিবাদপত্রে রেলওয়ে আরও জানায়, যমুনা টিভির প্রতিবেদনে যেসব অভিযোগের কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর বেশিরভাগই সরকারি নিরীক্ষা দপ্তর কর্তৃক উত্থাপিত অডিট আপত্তির বিষয়। রেলওয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, সরকারি নিরীক্ষা কমিটি মূলত আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিরীক্ষা করে থাকে এবং প্রকল্পের প্রতিটি কারিগরি বিষয় যাচাই করার জন্য তাদের নিজস্ব কারিগরি বিশেষজ্ঞ থাকা আবশ্যক নয়। অন্যদিকে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের মতো বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পে কারিগরি দিক যাচাই-বাছাইয়ের জন্য দক্ষ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োজিত ছিল।

বাংলাদেশ রেলওয়ের দাবি, প্রকল্পের কোনো কাজ শুরু করার আগে সংশ্লিষ্ট পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরা নকশা, কারিগরি বিষয়, কাজের পরিমাণ ও গুণগত মান যাচাই-বাছাই করেন। তাদের কারিগরি মূল্যায়ন ও প্রত্যয়নের ভিত্তিতেই প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

প্রচারিত প্রতিবেদনে এমব্যাংকমেন্টের উচ্চতা কমিয়ে ঠিকাদারকে অতিরিক্ত ২ হাজার ১৩০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, বাংলাদেশ রেলওয়ে সেটিকে অডিট আপত্তির ভুল ব্যাখ্যা বলে দাবি করেছে। রেলওয়ের বক্তব্য, প্রকল্পের মূল নকশা বা কারিগরি কাঠামোতে কোনো পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের কারিগরি যাচাই ও অনুমোদন প্রয়োজন হয়। পাশাপাশি প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ও আর্থিক বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা হয়েছে।

রেলওয়ে জানিয়েছে, প্রকল্পের বিভিন্ন বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অনুমোদন এবং সরকারের ক্রয় সংক্রান্ত কমিটি বা সিসিজিপির অনুমোদন গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে কোনো একক ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের ইচ্ছায় প্রকল্পের নকশা পরিবর্তন কিংবা ঠিকাদারকে অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রকল্পের কাজের গুণগত মান ও বিল পরিশোধের ক্ষেত্রেও কোনো অনিয়ম হয়নি বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য অনুযায়ী, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিআরটিসি ও বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করা হয়েছিল। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মাঠপর্যায়ে কাজের গুণগত মান, পরিমাণ এবং চুক্তির শর্ত অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে কি না, তা যাচাই করে প্রত্যয়ন দেওয়ার পর বিল পরিশোধের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

রেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নের পর সংশ্লিষ্ট বিল প্রকল্প দপ্তরের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়ের অর্থ উপদেষ্টা ও হিসাব বিভাগে ভেটিং করা হয়। এরপর অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিল চীনা দূতাবাসের মাধ্যমে চীনা এক্সিম ব্যাংকে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে চীনা এক্সিম ব্যাংক চুক্তি অনুযায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিল পরিশোধ করে। ফলে কোনো ধরনের গুণগত মান যাচাই ছাড়াই কিংবা নিয়মনীতি অনুসরণ না করে ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ করা হয়েছে—যমুনা টিভির প্রতিবেদনে এমন কোনো তথ্য উঠে থাকলে তা বাস্তব প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

প্রকল্পের মোট ব্যয় নিয়েও যমুনা টিভির প্রতিবেদনের তথ্যকে ভুল ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে রেলওয়ে। প্রতিবাদপত্রে বলা হয়, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় রেলওয়ে অবকাঠামো নির্মাণের জন্য চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ২৪ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই চুক্তির বিপরীতে এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ২২ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা। অর্থাৎ চুক্তির মোট মূল্যের তুলনায় ব্যয় কম হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের হিসাব অনুযায়ী, প্রকল্পে ১ হাজার ৮৪৫ কোটি ৫৪ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে। প্রকল্পের সব কাজ শেষ করে চূড়ান্ত হিসাব সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকৃত ব্যয় আরও কমতে পারে বলেও আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। এ অবস্থায় যমুনা টিভির প্রতিবেদনে ১৩ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, সেটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

প্রকল্পের বিভিন্ন পর্যায়ের সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমকে বর্তমান মহাপরিচালকের সঙ্গে এককভাবে সম্পৃক্ত করার বিষয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেলওয়ে। প্রতিষ্ঠানটির বক্তব্য, বর্তমান মহাপরিচালকের আগে আরও তিনজন কর্মকর্তা পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রকল্পের দীর্ঘ সময়ের বিভিন্ন পর্যায়ে যেসব কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং যেসব অডিট আপত্তির বিষয় উত্থাপিত হয়েছে, তার অনেকগুলোই বর্তমান মহাপরিচালক প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগেই সম্পন্ন হয়েছে।

রেলওয়ের দাবি, প্রকল্পের দীর্ঘ সময়ের কার্যক্রম ও বিভিন্ন পর্যায়ের সিদ্ধান্তকে বাদ দিয়ে শুধু বর্তমান মহাপরিচালককে কেন্দ্র করে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করায় বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মর্মাহত হয়েছেন। তাদের মতে, প্রকল্পের প্রতিটি পর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের ভূমিকা ও সিদ্ধান্ত বিবেচনায় না নিয়ে একজন কর্মকর্তাকে কেন্দ্র করে পুরো বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে প্রকৃত চিত্র আড়ালে থেকে যেতে পারে।

যমুনা টিভির প্রতিবেদনে বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন সাবেক কর্মকর্তা সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বলেও প্রতিবাদপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই কর্মকর্তাকে দুর্নীতির দায়ে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল দাবি করে রেলওয়ে প্রশ্ন তুলেছে, এমন একজন বিতর্কিত সাবেক কর্মকর্তার বক্তব্যকে প্রকল্পের বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত হিসেবে উপস্থাপন করা কতটা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে। তবে ওই সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো নথি বা তথ্য প্রতিবাদপত্রে তুলে ধরা হয়নি।

বাংলাদেশ রেলওয়ে বলছে, সরকারি নিরীক্ষা দপ্তর সরকারের প্রতিটি আর্থিক কার্যক্রম নিরীক্ষা করে থাকে এবং প্রাথমিক পর্যায়ে তাদের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে বিভিন্ন আপত্তি উত্থাপিত হয়। এসব আপত্তি নিষ্পত্তির জন্য সরকারি পর্যায়ে নির্ধারিত একাধিক ধাপ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে ব্রডশিট জবাব, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, যুক্তি ও প্রমাণ উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ক্ষেত্রেও উত্থাপিত অনেক অডিট আপত্তির বিপরীতে যথাযথ জবাব ও প্রমাণাদি দেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে অধিকাংশ আপত্তি নিষ্পত্তি হয়েছে। অবশিষ্ট আপত্তিগুলোও নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে।

প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, অডিট আপত্তি সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনার একটি স্বাভাবিক ও চলমান প্রক্রিয়া। কোনো বিষয়ে অডিট আপত্তি উত্থাপিত হওয়া মানেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা আর্থিক অনিয়মের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। বরং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাব, নথিপত্র ও প্রমাণ পর্যালোচনার পরই আপত্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাই অডিট আপত্তির বিষয়গুলোকে চূড়ান্ত অনিয়ম হিসেবে উপস্থাপন করা হলে তা জনসাধারণের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য হিসেবে প্রতীয়মান হতে পারে বলে মনে করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

প্রতিবাদপত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ে আরও উল্লেখ করেছে, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প দেশের অন্যতম বৃহৎ রেল অবকাঠামো প্রকল্প। এ প্রকল্পের মতো বড় একটি প্রকল্পে কারিগরি যাচাই, কাজের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, বিল ভেটিং এবং অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে একাধিক সরকারি ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা রয়েছে। ফলে প্রকল্পের কোনো একটি অডিট আপত্তিকে বিচ্ছিন্নভাবে উপস্থাপন করলে প্রকল্পের সামগ্রিক বাস্তবতা ও অর্থনৈতিক চিত্র সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয় না।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রতিবাদপত্রের শেষাংশে বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে যেসব কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে, সেগুলো নিয়ে যমুনা টিভিতে প্রচারিত প্রতিবেদন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ প্রত্যাখ্যান করছে। একই সঙ্গে প্রতিবেদনের তথ্য পুনরায় যাচাই করে প্রকৃত তথ্য উপস্থাপন এবং প্রচারিত প্রতিবেদনটি প্রত্যাহারের জন্য যমুনা টিভির প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে, বাংলাদেশ রেলওয়ের এই প্রতিবাদের বিষয়ে যমুনা টিভির পক্ষ থেকে কোনো পাল্টা বক্তব্য, ব্যাখ্যা বা প্রতিবেদন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না—এ বিষয়ে প্রতিবাদপত্রে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ