চট্টগ্রামের চন্দনাইশে অবৈধ করাতকল ও সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা দোকানপাটের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ। একই অভিযানে বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি সংলগ্ন এলাকার একটি ঔষধের দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, প্রয়োজনীয় সনদ এবং বিভিন্ন রেজিস্টারও যাচাই করা হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত উপজেলার কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নের রওশনহাট বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে নেতৃত্ব দেন চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুর রহমান।
অভিযানে অবৈধভাবে পরিচালিত একটি করাতকল স্থায়ীভাবে বন্ধের লক্ষ্যে এর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ জব্দ করা হয়। জব্দ করা সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে—৩টি করাত, ১টি চাকা, ১টি চুঙ্গি, ১টি নাক, ২টি বেল্ট এবং ২টি ট্রলির চুঙ্গি।
এ ছাড়া বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটির সংলগ্ন সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে গড়ে ওঠা দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়। একই এলাকায় একটি ঔষধের দোকানে অভিযান চালিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রয়েছে কি না, প্রয়োজনীয় সনদ এবং বিভিন্ন রেজিস্টার যাচাই করা হয়।
অভিযানে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের পটিয়া রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা এমদাদুল হক, বরগুনি বিটের বিট কর্মকর্তা মো. রহমত আলী, এফজি মো. ইখতিয়ার উদ্দিন, মো. মনির হোসেন, মো. আলমগীর, মো. শহিদ উদ্দিন ছোটন, পিএম মো. মহি উদ্দীন ও মো. শাহাব উদ্দীনসহ চন্দনাইশ থানা পুলিশ, পৌরসভা এবং উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সহযোগিতা করেন।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদন ছাড়া করাতকল পরিচালনার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া নেওয়া হবে। জব্দ করা যন্ত্রাংশের মাধ্যমে করাতকলটি পুনরায় চালুর সুযোগ বন্ধ করতেই অভিযানকালে এগুলো জব্দ করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সরকারি জায়গা অবৈধ দখল, অনুমোদনহীন করাতকল পরিচালনা এবং জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।