চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত পারকি সমুদ্রসৈকত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বিস্তীর্ণ বালুচর ও সাগরের ঢেউয়ের কারণে সৈকতটি পরিচিত ‘মিনি কক্সবাজার’ নামে। একসময় সরকারি ছুটির দিনগুলোতে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসতেন অসংখ্য পর্যটক। কিন্তু পর্যটনের বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও যোগাযোগব্যবস্থার দুরবস্থা, সরু সড়কে দীর্ঘ যানজট, সড়কবাতির অভাব, অপর্যাপ্ত পার্কিং এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে ক্রমেই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে সৈকতটির পর্যটন কার্যক্রম। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এসব সমস্যায় পর্যটক কমে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তাঁদের ব্যবসা।

এরই মধ্যে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ও প্রতিমা বিসর্জনকে ঘিরে পারকি সৈকতে বাড়তি জনসমাগমের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ সময় বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হলে যানজট, বিশৃঙ্খল পার্কিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে চাপ তৈরি হতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিকল্প সড়ক ব্যবহার, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা। অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে, দুর্গাপূজা ও প্রতিমা বিসর্জন নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্ভাবনা আছে, নেই পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা
স্থানীয়দের কাছে ‘পারকির চর’ নামেও পরিচিত এই সৈকতটি চট্টগ্রামের অন্যতম সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র। প্রায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলীয় এলাকা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে পর্যটকদের আকর্ষণ করে। চট্টগ্রাম শহরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এখানে পরিবার-পরিজন নিয়ে বেড়াতে আসেন। তবে পর্যটকদের দীর্ঘ সময় অবস্থান, নিরাপদে ঘোরাফেরা এবং নির্বিঘ্নে যাতায়াতের জন্য প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পারকির পরিচিতি বাড়লেও সেই তুলনায় যোগাযোগ, যানবাহন ব্যবস্থাপনা, আলোকসজ্জা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়নি। ফলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য থাকা সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত পর্যটকসেবা নিশ্চিত হচ্ছে না। পর্যটনসংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পিত উন্নয়ন ও নিয়মিত তদারকি থাকলে পারকি সৈকত স্থানীয় অর্থনীতি, ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সরু সড়ক ও সেতুতে যানজট, ভোগান্তিতে পর্যটক
সরেজমিনে সৈকত এলাকা ঘুরে এবং পর্যটক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পারকি সৈকতে যাতায়াতের অন্যতম বড় বাধা সংকীর্ণ সড়ক ও প্রবেশপথের সেতু। পারকি বাজার এলাকায় সৈকতে প্রবেশের সেতুটি প্রশস্ত না হওয়ায় বিপরীতমুখী যানবাহন চলাচলে সমস্যা তৈরি হয়। সড়কও তুলনামূলক সরু হওয়ায় বিশেষ করে সরকারি ছুটির দিনে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে পর্যটকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।
ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, যাতায়াতের ভোগান্তির কারণে অনেক পর্যটক পারকি সৈকতে আসার পরিকল্পনা পরিবর্তন করেন। কেউ কেউ বিকল্প হিসেবে ফুলতলী সমুদ্রসৈকতের দিকে ঝুঁকছেন বলেও দাবি তাঁদের। পর্যটকদের যাতায়াত সহজ করতে সড়ক ও সেতুর সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি যানবাহন চলাচলের কার্যকর পরিকল্পনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সন্ধ্যার পর অন্ধকার, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
পারকি সৈকতের আরেকটি বড় সমস্যা পর্যাপ্ত সড়কবাতি ও বিদ্যুৎ-সংযোগের অভাব। সন্ধ্যা নামার পর সৈকতের অনেক এলাকা অন্ধকারে ডুবে যায়। এতে পর্যটকদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ে।
পারকি সৈকত ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের অভিযোগ, দেড় মাস ধরে সৈকতে পর্যটন পুলিশের নিয়মিত উপস্থিতি নেই। এ সুযোগে চুরি ও পর্যটকদের হয়রানির ঘটনা বেড়েছে বলেও দাবি করেছেন তাঁরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও ঘটনার নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান পাওয়া গেলে পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র স্পষ্ট হবে।
ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্যমতে, একসময় সৈকত এলাকায় প্রায় ১১০টি দোকান ছিল। বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে অনেক দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। বর্তমানে থাকা ৫২টি দোকানের মধ্যে মাত্র চার-পাঁচটিতে বিদ্যুৎ-সংযোগ রয়েছে বলে তাঁদের দাবি। পর্যাপ্ত আলো ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সন্ধ্যার পর পর্যটকদের অবস্থান এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও সীমিত হয়ে পড়তে পারে।
পার্কিংয়ের টাকা, তবু নেই সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা
সৈকতে যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে অপরিকল্পিত পার্কিংয়ের কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের অভিযোগ, পর্যটকদের কাছ থেকে পার্কিংয়ের টিকিটের টাকা নেওয়া হলেও গাড়ি রাখার জন্য পর্যাপ্ত ও সুশৃঙ্খল নির্দিষ্ট জায়গা নেই। ফলে অনেক গাড়ি সড়ক কিংবা সৈকতের প্রবেশপথে দাঁড় করিয়ে রাখতে হয়। এতে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং যানজট দীর্ঘায়িত হয়।
পারকি সৈকত ব্যবসায়ী সমিতির মো. কাশেম বলেন, যোগাযোগব্যবস্থার দুরবস্থা ও নিরাপত্তার ঘাটতি পারকির পর্যটনশিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। সৈকতে প্রবেশের জন্য কয়েকটি সড়ক থাকলেও কার্যকর চলাচলের ক্ষেত্রে একটি সড়কের ওপর নির্ভর করতে হয়। ফলে ছুটির দিনে যানবাহনের চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, পর্যটকেরা পার্কিংয়ের জন্য টাকা দিয়েও নির্দিষ্ট জায়গায় গাড়ি রাখতে পারেন না। এ অবস্থায় সড়কে যানজট তৈরি হয় এবং পর্যটকদের ভোগান্তি বাড়ে। এসব সমস্যার সমাধান না হলে পারকি সৈকতের পর্যটন কার্যক্রম আরও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিসর্জনে ভিড় সামলাতে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের প্রস্তাব
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জনকে সামনে রেখে যানজট নিয়ন্ত্রণে আগাম পরিকল্পনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ব্যবসায়ী সমিতির এই নেতা। তাঁর প্রস্তাব, সৈকতে প্রবেশের পাঁচটি সড়কের মধ্যে ৩ ও ৫ নম্বর সড়ক ব্যবহার করে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এতে বিকল্প পথে যানবাহন চলাচল সম্ভব হলে মূল প্রবেশপথের ওপর চাপ কমতে পারে।
তবে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে সড়কগুলোর ধারণক্ষমতা, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ, যানবাহনের ধরন এবং জরুরি সেবার চলাচল বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, নির্দিষ্ট পার্কিং এলাকা চিহ্নিতকরণ এবং পথনির্দেশনা স্থাপন করা গেলে বিসর্জনে অংশ নিতে আসা মানুষের দুর্ভোগ কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মো. কাশেম বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্যোগে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন। পর্যটকদের সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আসন্ন বিসর্জন উপলক্ষে যান চলাচল নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।
পর্যটকদের চোখে সম্ভাবনাময় পারকি
চট্টগ্রাম শহর থেকে আসা সোলাইমান এবং হাটহাজারী থেকে পরিবার নিয়ে বেড়াতে আসা রহমতুল্লাহ জানান, পারকি সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের আকর্ষণ করার মতো। তবে যোগাযোগব্যবস্থা, যানজট ও সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি তাঁদের ভোগান্তিতে ফেলে।
তাঁদের মতে, সৈকতের সৌন্দর্য রক্ষার পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ, উন্নত যাতায়াত, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা এবং গাড়ি রাখার সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এসব সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে পারকি আবারও পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, পর্যটক কমে গেলে শুধু দোকানপাটের বিক্রি কমে না; এর সঙ্গে জড়িত পরিবহন, খাবারের দোকান, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও স্থানীয় কর্মসংস্থানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই পারকির উন্নয়নকে শুধু পর্যটনকেন্দ্রের সৌন্দর্য বৃদ্ধির বিষয় হিসেবে না দেখে স্থানীয় অর্থনীতি ও জনস্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত করে দেখা প্রয়োজন।
দুর্গাপূজায় নিরাপত্তার প্রস্তুতি পুলিশের
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ও প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে নিরাপত্তা প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে পুলিশ। কর্ণফুলী থানার বন্দর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, বন্দর এলাকায় তিনটি স্থানে প্রতিমা বিসর্জনের আয়োজন করা হবে। এ বিষয়ে পূজা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। উৎসব নির্বিঘ্ন রাখতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক থাকবে। প্রয়োজন হলে পারকি সমুদ্রসৈকতেও পুলিশের দল নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে। পূজামণ্ডপ থেকে প্রতিমা বিসর্জনের স্থান পর্যন্ত নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যবস্থাও থাকবে।
তিনি আরও বলেন, পারকি সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে অনেক সময় পুলিশ সদস্যদের নিজস্ব খরচে সেখানে যেতে হয়। আনোয়ারা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পার্কিংয়ের জন্য টাকা নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। কিন্তু নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের জায়গা না থাকায় কিছু মোটরসাইকেলচালক ভাড়ার নামে পর্যটকদের হয়রানি করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া একটি চক্র ছিনতাই করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি তিনি আনোয়ারা উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সভায় তুলে ধরছেন বলে জানান। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং সৈকতে নিয়মিত পুলিশি নজরদারি নিশ্চিত করা হলে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ কমতে পারে।
আনোয়ারায় ৩০১ স্থানে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, আনোয়ারা থানার আওতায় ৩০১টি স্থানে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১২টি স্থায়ী মন্দির এবং ১৮৮টি ঘটপূজার স্থান বলে তিনি উল্লেখ করেন। পূজার নিরাপত্তায় ছয়টি টহল দল মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ও অধিকসংখ্যক পূজামণ্ডপ থাকা এলাকায় অতিরিক্ত টহল এবং সাদাপোশাকে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ও পুলিশ সুপারের নির্দেশনা অনুযায়ী, শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদ্যাপন নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে বলেও জানান তিনি।
প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর তদারকি
পারকি সমুদ্রসৈকতের পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে বিচ্ছিন্ন উদ্যোগের পরিবর্তে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন। সড়ক ও সেতুর সক্ষমতা বৃদ্ধি, যানজট নিয়ন্ত্রণ, বিকল্প প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ কার্যকর করা, নির্দিষ্ট পার্কিং এলাকা তৈরি, পর্যাপ্ত সড়কবাতি স্থাপন এবং নিয়মিত পুলিশি টহল নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে পার্কিংয়ের অর্থ আদায়, সেবার মান ও ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকিও প্রয়োজন।
আসন্ন দুর্গাপূজা ও প্রতিমা বিসর্জনকে সামনে রেখে দ্রুত অস্থায়ী যান চলাচল পরিকল্পনা গ্রহণ করা গেলে তাৎক্ষণিক ভোগান্তি কমানো সম্ভব। আর দীর্ঘমেয়াদে পরিকল্পিত অবকাঠামো উন্নয়ন ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে পারকি সৈকত আবারও পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, পর্যটক ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা—প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ এই সৈকত যেন সেবার ঘাটতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে তার সম্ভাবনা হারিয়ে না ফেলে।