শিরোনাম
বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্যমন্ত্রী, ইজতেমায় ৫ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা নাচ, অভিনয় ও মডেলিংয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান অপূর্ব এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি: গর্ভাবস্থার একটি নীরব জরুরি অবস্থা আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে দেখতে চান ফ্লাভিয়া ইসলাম সনাতনী পরিবারের পাশে এজাহার মিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদযাপন সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের প্রতিফলন: আবু সুফিয়ান এমপি লাঙ্গলকোট-লাকসাম সেকশনে কর্ণফুলী কমিউটার ট্রেন লাইনচ্যুত, বরখাস্ত উপসহকারী প্রকৌশলী সড়ক ও নৌপথে দুর্ঘটনা রোধে রাঙামাটিতে নিরাপদ যাত্রা ফাউন্ডেশনের প্রচারণা রাঙামাটিতে যানবাহন মেরামত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন, সনদ পেলেন ১৭ প্রশিক্ষণার্থী শিশুর সংকটাপন্ন অবস্থায় PICU কেন গুরুত্বপূর্ণ: দ্রুত সিদ্ধান্ত, নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত চিকিৎসা
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন

বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্যমন্ত্রী, ইজতেমায় ৫ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা

এরশাদ আলম বান্দরবান / ২২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬

বান্দরবান জেলা শহরের বালাঘাটায় তাবলিগি মারকাজ মসজিদ নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বান্দরবানের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী। এ সময় আগামী ২৯ ও ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য বান্দরবান জেলা ইজতেমা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ৫ লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে প্রস্তাবিত মারকাজ মসজিদের স্থান পরিদর্শনকালে মন্ত্রী স্থানীয় মারকাজ মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও তাবলিগ জামাতের মুরুব্বিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য জোরদার এবং এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বালাঘাটায় প্রস্তাবিত মারকাজ মসজিদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি আসন্ন জেলা ইজতেমার প্রস্তুতি, আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা এবং ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অংশগ্রহণের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

ইজতেমা আয়োজনের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা উপস্থিত তাবলিগ জামাতের মুরুব্বি ও মুসল্লিদের মধ্যে সন্তোষ সৃষ্টি করে। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ মসজিদের উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া এবং জেলা ইজতেমা সফল করতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। ধর্ম, বর্ণ, জাতি ও গোত্র নির্বিশেষে এ অঞ্চলের প্রতিটি নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, সকল নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত রেখে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। পাহাড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক ভালোবাসার পরিবেশ বজায় রাখার উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মানুষের নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একটি উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা এবং সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বাড়ানো প্রয়োজন।

এদিকে, স্থানীয় মারকাজ মসজিদের মুরুব্বিরা মসজিদের উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং আসন্ন জেলা ইজতেমা সফলভাবে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁদের মতে, ধর্মীয় আয়োজনের পাশাপাশি এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখবে।

পরিদর্শন ও মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন তাবলিগ জামাতের বান্দরবান জেলা আমির ওসমান গনি, বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য আবদুল মাবুদ, ইজতেমার জন্য জমিদাতা কামাল মেম্বার, জেলা বিএনপি নেতা মুছা সওদাগর, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ হাকিম চৌধুরী, মারকাজ মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

প্রস্তাবিত মারকাজ মসজিদের উন্নয়ন এবং আসন্ন জেলা ইজতেমা আয়োজনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। তবে ইজতেমার প্রস্তুতি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপরই অনুষ্ঠানটির সফলতা নির্ভর করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ