শিরোনাম
স্বল্প খরচে আধুনিক চিকিৎসাসেবার প্রত্যয় চিকিৎসক দম্পতির ‘তরুণদের ক্রীড়ামুখী করতে সরকার বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছে’—প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল ২২ দেশের শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর ওমেন, উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর বৃষ্টিহীন আষাঢ়ে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুকে জয়, এবার তারেক রহমানের হাত থেকে বিশেষ সম্মাননা পেলেন ওমর ফারুক সাগর প্রধান সড়ক, রেললাইন ও যাত্রীসেবার উন্নয়নেই সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব: হাবিবুর রশিদ চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্যের সঙ্গে শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ আলহাজ্ব জসীম উদ্দীন আহমেদ এমপির অবস্থান শক্তিশালী করতে চন্দনাইশে মতবিনিময় সভা চট্টগ্রাম ও হাটহাজারীতে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের মানবিক সহায়তা বিতরণ বাঁশখালীতে জামায়াতের উদ্যোগে মাদকবিরোধী যুব র‍্যালী ও সমাবেশ
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন

২২ দেশের শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর ওমেন, উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর

জাহাঙ্গীর আলম / ৩৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান বিশ্বে শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত দক্ষ ও কর্মসংস্থান-উপযোগী মানবসম্পদ তৈরি করা। সে লক্ষ্যেই শিক্ষা কারিকুলামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল লিটারেসি এবং আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পাঠক্রম অন্তর্ভুক্ত করা সময়ের দাবি। তিনি বলেন, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর ওমেন (এইউডব্লিউ) এ ক্ষেত্রে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

শনিবার (৪ জুলাই) চট্টগ্রামে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর ওমেনের নাসিরাবাদস্থ স্থায়ী ক্যাম্পাসে নির্মাণাধীন নতুন ভবন পরিদর্শন শেষে চট্টেশ্বরী ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নয়; আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা, গবেষণা, স্কলারশিপ এবং বৈশ্বিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করছে। এখানকার একাডেমিক কার্যক্রম, গবেষণা উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক এক্সপোজার সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে বিশ্বের ২২টি দেশের প্রায় দুই হাজার ১০০ ছাত্রী এ প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করছে। বাংলাদেশের পাশাপাশি আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, জাপান, মিয়ানমার, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা এখানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ও গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ের পাঠক্রম, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক সাফল্যের চিত্র তুলে ধরা হয়। জানানো হয়, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী বিশ্বের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়—হার্ভার্ড, জনস হপকিন্স, ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়সহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডক্টরেট পর্যায়ে গবেষণার সুযোগ অর্জন করেছেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছেন।

বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থায় এআই ও ডিজিটাল লিটারেসিকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার ইতোমধ্যে শিক্ষা, প্রশাসন ও জনসেবাসহ বিভিন্ন খাতে ডিজিটাল কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। সরকারি সেবায় প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা চালুর ফলে দুর্নীতি হ্রাস, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের জন্য দ্রুত ও মানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।

চট্টগ্রামকে দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় ও বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত নগরী উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমন একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এ অঞ্চলের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবেও সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই তাসলিমা রেজা ও প্রকৌশলী তানভির রহমান বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে ২০০৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠায় দেওয়া সহযোগিতার জন্য তাঁর সরকার ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

এর আগে অর্থমন্ত্রী নাসিরাবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে নির্মাণাধীন নতুন ভবনের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।

একই দিন সকালে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে শুধুমাত্র ডেঙ্গু রোগীদের জন্য চালু হওয়া পৃথক ডেঙ্গু ওয়ার্ডের উদ্বোধন ও পরিদর্শন করেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন এই বিশেষায়িত ওয়ার্ড চালুর ফলে সরকারি পর্যায়ে ডেঙ্গু চিকিৎসা সেবা আরও শক্তিশালী হবে এবং রোগীরা দ্রুত ও সহজে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।প্রয়োজনে এটিকে জাতীয় দৈনিকের উপযোগী আরও অনুসন্ধানধর্মী বা ফিচারধর্মী ভাষায়ও রূপান্তর করে দিতে পারি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ