রেলওয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, এবারও শতভাগ আসনের টিকিট অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। বুধবার সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হয়। অন্যদিকে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টায়।
রেলওয়ের ঈদকালীন কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, ঈদের আগে পাঁচ দিনের আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় অগ্রিম বিক্রি করা হবে। ২৪ মে’র টিকিট বিক্রি হবে ১৪ মে, ২৫ মে’র টিকিট ১৫ মে, ২৬ মে’র টিকিট ১৬ মে এবং ২৭ মে’র টিকিট ১৭ মে বিক্রি করা হবে।
রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একজন যাত্রী ঈদ অগ্রিম যাত্রার ক্ষেত্রে একবারে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। তবে এসব অগ্রিম টিকিট কোনোভাবেই ফেরত বা রিফান্ড করা যাবে না।
যাত্রীদের সুবিধার্থে যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) সংশ্লিষ্ট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে কোরবানির পশু পরিবহনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা হিসেবে চালানো হবে দুটি “ক্যাটল স্পেশাল” ট্রেন। আগামী ২২ ও ২৩ মে ট্রেন দুটি দেওয়ানগঞ্জ বাজার ও ইসলামপুর বাজার থেকে ছেড়ে কমলাপুর, তেজগাঁও ও ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছাবে।
অন্যদিকে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নারী যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিত করতে প্রতিটি যাত্রীবাহী ট্রেনে নারীদের জন্য একটি নির্দিষ্ট বগি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (১২ মে) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আজমল হোসেন খোকন।