শিরোনাম
হাসপাতালের প্রবৃদ্ধির নতুন সুযোগ: নতুন রোগীর পাশাপাশি পুরোনো রোগীকেও বুঝতে হবে সাতকানিয়া কালিয়াইশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও সংবর্ধনা পটিয়ার হাফেজ শিক্ষার্থীদের জন্য নাহার পার্কে বিনামূল্যে ভ্রমণের সুযোগ চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে প্রবাসী সেবায় আধুনিক ট্রলি, দক্ষ কর্মী পাঠানোর তাগিদ মন্ত্রীর চট্টগ্রাম বন্দরে কনসাইনি বিল পরিশোধে অনলাইন বাধ্যতামূলক এক মাস পিছিয়েছে রেলওয়ে জোনাল স্পোর্টস কাউন্সিলের নতুন কমিটি, ক্রীড়া কার্যক্রম গতিশীল করার প্রত্যয় রাঙ্গামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে দুদকের অভিযান সাতকানিয়ায় তিন হাসপাতালে নানা অনিয়ম, জরিমানা ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা নিয়মের তোয়াক্কা না করে আবাসন বাণিজ্য: আশ্রয়ণের ঘর বিক্রি ও ভাড়ার ধুম এভারকেয়ার চট্টগ্রামে ২ হাজারের বেশি হৃদরোগীর এনজিওপ্লাস্টি-স্টেন্টিং
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত সাতকানিয়ার কামার শিল্পীরা

মিজানুর রহমান রুবেল, সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) / ১৫০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কামারপল্লীগুলোতে এখন চলছে কর্মব্যস্ত সময়। কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় দা, ছুরি, বটি ও চাপাতি তৈরি এবং পুরোনো সরঞ্জামে শান দিতে দিন-রাত পরিশ্রম করছেন কামার শিল্পের কারিগররা।

ঈদের আর মাত্র একদিন বাকি থাকায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ নতুন সরঞ্জাম কিনতে ও পুরোনো সরঞ্জাম ধার করাতে ভিড় করছেন কামারপল্লীগুলোতে।

সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আগুনের তাপে লোহা পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের জবাইয়ের সরঞ্জাম।

কামারপাড়ার ৭০ বছর বয়সী কারিগর রঞ্জিত দাশ জানান, তিনি প্রায় ৪৫ বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে জড়িত। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই কাজের চাপ বাড়ছে। বর্তমানে প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে তাদের।
তিনি বলেন, “গত বছর কয়লার বস্তা ছিল ৪৫০ টাকা, এখন সেটি ৬০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। প্রতি বস্তায় থাকে মাত্র ৫ কেজি কয়লা। কয়লার দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচও বেড়েছে।”

তিনি আরও জানান, বর্তমানে নতুন দা বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা, বটি ৩৫০ থেকে ৯০০ টাকা, বড় ছুরি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ছোট ছুরি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা এবং স্প্রিং দা বিক্রি হচ্ছে ১২০০ টাকায়। এছাড়া পুরোনো সরঞ্জামে শান দিতে ছুরি ৭০ টাকা, দা ১০০ টাকা, বড় ছুরি ৩০০ টাকা এবং বটি ১০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়লেও কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে এখনও কামার শিল্পের চাহিদা অনেক বেশি। বছরের অন্য সময় তুলনায় ঈদের আগে এই শিল্পের কারিগররা সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত সময় পার করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ