শিরোনাম
বিদায়বেলায় আবেগঘন বার্তা দিলেন বাঁশখালীর বিদায়ী এসিল্যান্ড ওমর সানী আকন রেল শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে কুমিল্লায় ৩০ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অবহেলিত নারীদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করছে ‘আলোকিত নারী কল্যাণ সংগঠন’ বান্দরবানে জেলা জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণে আত্মকর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত খুলছে স্যাম ব্যাটারি রিজেনারেশন কোরআনের হাফেজ তৈরির অঙ্গীকারে গাউছিয়া ছালেকিয়া মাদ্রাসার ছবক অনুষ্ঠান সম্পন্ন চন্দনাইশের বরমায় ৩ হাজার ৫০০ বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে আবদুর রহিম চৌধুরী ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিনেত্রীর মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ দুবাইয়ে বাংলাদেশিদের ভিসা জটিলতা নিরসনে সমন্বিত কূটনৈতিক উদ্যোগের আহ্বান গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ডে ‘বেস্ট ইন্ট্রাপ্রেনার’ আফরোজা হক
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন

পার্বত্য চট্টগ্রামে গৎবাঁধা প্রকল্প নয়, টেকসই উন্নয়নে জোর: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

বার্তা টুডে ডেস্ক / ১২২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গৎবাঁধা পদ্ধতি পরিহার করে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি। তিনি বলেছেন, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে শুধু ত্রাণ বিতরণ নয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও স্থায়ী উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সের অডিটোরিয়ামে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) পর্যালোচনা সভা ও বিভিন্ন প্রকল্পের স্টিয়ারিং কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন অজুহাতে উন্নয়ন প্রকল্পের সময়সীমা বারবার বাড়ানো গ্রহণযোগ্য নয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মতভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামে গৎবাঁধা পদ্ধতিতে প্রকল্প চালানো আর যাবে না। বরাদ্দ ও গাইডলাইন অনুযায়ী শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কেবল খাদ্যসামগ্রী বিতরণ যথেষ্ট নয়। তাদের স্বাবলম্বী করতে কর্মসংস্থানভিত্তিক ও বাস্তবমুখী প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি উন্নয়ন কার্যক্রমে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য পাহাড়ি জনগোষ্ঠীকে শিক্ষিত, দক্ষ ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা এবং তাদের উৎপাদিত পণ্য দেশ-বিদেশের বাজারে পৌঁছে দেওয়া। তিনি বলেন, আগে পাহাড়ি জনপদের জীবনমান উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে, এরপর পর্যটনসহ অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। এতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালের মানবিক উদ্যোগে রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার দুর্গম বড় কুক্যাছড়ি খিয়াং পাড়ার দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৪০-৪৫ বছর ধরে বিদ্যুৎ, মোবাইল নেটওয়ার্ক, নিরাপদ পানির ব্যবস্থা ও যোগাযোগ সুবিধাবঞ্চিত এই জনপদের সমস্যার কথা জানতে পেরে তিনি মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

তার নির্দেশের পর রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রতিনিধি দল এলাকাটি পরিদর্শন করে সমস্যা সমাধানে কার্যক্রম শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তা, সেতু, বিদ্যুৎ ও নিরাপদ সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানালে মন্ত্রণালয় তা বাস্তবায়নে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ