ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, তরুণ শিল্পীদের তুলির আঁচড়ে আমাদের অদম্য সাহস, আত্মত্যাগ ও গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের ইতিহাস জীবন্ত হয়ে ওঠে। চারুকলা একটি জাতির সভ্যতার আয়না। এই আয়না যত উজ্জ্বল হবে, জাতি তত বেশি নিজেকে চিনতে ও আবিষ্কার করতে সক্ষম হবে।
শুক্রবার (২৬ জুন) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ন্যাশনাল আর্ট গ্যালারিতে ‘অধিকারের সংগ্রাম’ শীর্ষক চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর সমাপনী দিনে পরিদর্শন শেষে তরুণ শিল্পীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাত দশকের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে শিল্পের মাধ্যমে তুলে ধরার এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি অভিযোগ করেন, বিগত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী সরকার তরুণদের শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে যথাযথ সুযোগ দেয়নি। তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চার গুরুত্ব উপলব্ধি করে এ খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের তরুণরা শিল্প ও সংস্কৃতির আলোয় আলোকিত হোক। তাদের সৃজনশীল শিল্পকর্ম নতুন প্রজন্মকে দেশের সংগ্রাম, সাহস ও আত্মত্যাগের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেবে।
রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশের ইতিহাস তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ ও প্রগতিশীল শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের সম্মাননা ও স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে তাদের আরও অনুপ্রাণিত করছেন।
পরে প্রতিমন্ত্রী প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া তরুণ শিল্পীদের অভিনন্দন জানান এবং ‘অধিকারের সংগ্রাম’ আর্ট এক্সিবিশনের প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদের সঙ্গে দেশের শিল্পচর্চার ভবিষ্যৎ নিয়ে মতবিনিময় করেন। প্রদর্শনী প্রাঙ্গণ ঘুরে বিভিন্ন শিল্পকর্মও তিনি পরিদর্শন করেন।