চট্টগ্রাম-১৪ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসিমউদ্দীন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, সাতকানিয়া উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। সাক্ষাৎকালে উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে সাতকানিয়ার মৌলভীর দোকান এলাকায় অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে শিক্ষক নেতারা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিদ্যমান চিত্র তুলে ধরে শ্রেণিকক্ষ সংকট, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ এবং আধুনিক শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসিমউদ্দীন আহমেদ শিক্ষক নেতাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় এবং শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগ বাস্তবায়নে আন্তরিক ভূমিকা রাখার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, একটি জাতির মজবুত ভিত্তি গড়ে ওঠে প্রাথমিক শিক্ষার ওপর। তাই শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, সাতকানিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি এস. এম. ইউছুপ, নির্বাহী সভাপতি এস. এম. ইসহাক, সহ-সভাপতি লুতফর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মালেক, মোহাম্মদ শাহজাহান, মোহাম্মদ ইউসুফ ও খায়রুল বশর। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জহির আহমদ মীর, আলাউদ্দিন, গোপীনাথ চক্রবর্তী, অসীম আচার্য, ফরিদুল আলম এবং সেলিমউদ্দিন।
এ সময় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম, সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, উত্তর সাতকানিয়া যুবদলের সভাপতি রাজিব, সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খন্দকার মাহমুদুল হাসান, সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামছুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা শক্তিশালী হলে দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার ভিত্তিও আরও সুদৃঢ় হবে। এজন্য শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও আনন্দমুখর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা খাতে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও শিক্ষা উন্নয়নে এ ধরনের সমন্বয়মূলক বৈঠক অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।