শিরোনাম
মনেয়াবাদে চুরি, মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে সচেতন নাগরিক কমিটি গঠন ডেঙ্গু ঠেকাতে থানার পরিত্যক্ত পুকুরে ডিসি-এসপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান নাগরিকদের আস্থার জায়গা হতে হবে সরকারি কর্মকর্তাদের: আনোয়ারায় ডিসি জাহিদ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, প্রতিবাদে মানববন্ধন চট্টগ্রামের খুলশীতে রেওয়াজের চতুর্থ শোরুম উদ্বোধন আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের নাম ‘জাতিসংঘ সড়ক’ করার প্রস্তাব অসুস্থ আবু তাহেরের বাবাকে দেখতে বাসায় গেলেন আকতার নবী চৌধুরী বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্যমন্ত্রী, ইজতেমায় ৫ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা নাচ, অভিনয় ও মডেলিংয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান অপূর্ব এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি: গর্ভাবস্থার একটি নীরব জরুরি অবস্থা
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন

ডেঙ্গু ঠেকাতে থানার পরিত্যক্ত পুকুরে ডিসি-এসপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : / ৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলায় এবার পরিচ্ছন্নতার অভিযানে নামলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার। চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানার ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা একটি পুকুর পরিষ্কারের উদ্যোগে অংশ নিয়ে তাঁরা দিলেন পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার বার্তা। একই সঙ্গে উপজেলায় সচেতনতামূলক র‍্যালি এবং বিভিন্ন সড়কে ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা সদর ও আনোয়ারা থানা এলাকায় এসব কর্মসূচি পালন করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ‘পরিচ্ছন্ন করি নগর-গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম’ স্লোগান এবং দেশব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬-এর অংশ হিসেবে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি সদর সড়ক প্রদক্ষিণ করে আনোয়ারা থানায় গিয়ে শেষ হয়। পরে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম থানার ভেতরে থাকা পরিত্যক্ত পুকুর পরিষ্কার কার্যক্রমে অংশ নেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, শুধু চিকিৎসা দিয়ে ডেঙ্গু মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এর বিস্তার রোধে আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। বাড়িঘর, দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। ময়লা-আবর্জনাও নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। যেখানে-সেখানে ময়লা ফেললে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ডেঙ্গুতে যারা মারা গেছেন, তারা আমাদেরই ভাই কিংবা নিকটাত্মীয়। আমরা চাই না, এভাবে আর কারও প্রাণহানি ঘটুক।

পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, থানার ভেতরে এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা উদ্যোগ প্রশংসনীয়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আঙিনা থেকে শুরু করে নালা-নর্দমা পর্যন্ত সব জায়গা পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও যাতে ডেঙ্গুবাহী মশার বিস্তার না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সবাই মিলে থানার পুকুরটি পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। থানার আশপাশের জঙ্গলও পরিষ্কার করা হবে। নিজেদের আঙিনা পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে অন্যদেরও সচেতন করতে হবে। এ সময় তিনি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান, আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহিন উদ্দিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু জাফর মজুমদার, আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরীসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ