চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বিশিষ্ট শিক্ষক, আলেম ও হোমিও চিকিৎসক মরহুম মাওলানা আশেক এলাহীর জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বাঁশখালী গার্লস ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে বাঁশখালী মিডিয়া এলায়েন্সের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মরহুম মাওলানা আশেক এলাহী ছিলেন বাঁশখালী টাইমসের সম্পাদক আবু ওবাইদা আরাফাতের পিতা।
সাবেক ব্যাংকার মো. মুহিব্বুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র কামরুল ইসলাম হোসাইনী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের সদ্যসাবেক সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, বাঁশখালী গার্লস ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. জমির উদ্দিন চৌধুরী, শীলকূপ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আমার গ্রামের প্রতিষ্ঠাতা মো. আকতার হোসেন, বাঁশখালী আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ নাছের, বৈলছড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাঁশখালীর সহসভাপতি আশেকুর রহমান চৌধুরী, বন্দরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম, বাঁশখালী বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুল কাদের, লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগংয়ের প্রেসিডেন্ট লায়ন মোহাম্মদ আইয়ুব, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. আসিফুল হক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাজী সাঈদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার নাফিজ মিনহাজ, সমাজকর্মী এনামুল হক, সমাজসেবী রাশেদ আলী, গণ অধিকার পরিষদ নেতা এডভোকেট আরিফুল হক তায়েফ এবং বৈলছড়ী ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহিব্বুর রহমান।
বাঁশখালী মিডিয়া এলায়েন্সের সদস্য ও প্রিয় বাঁশখালী সম্পাদক কাজী শাহরিয়ার এবং খালেদুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মরহুমের জামাতা আরফাত উদ্দিন আস্করী, চট্টগ্রাম জেলা ছাত্রদল নেতা ফরহাদুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাঁশখালীর সহসভাপতি মাওলানা ফয়জুল্লাহ, মহিউদ্দিন চৌধুরী, মোহাম্মদ শোয়াইব, রিয়াজুল হক রিফাত, পুত্রবধূ তাসনীম ফাতেমা ও নাতনী আরিশা খুশনীন।
বক্তারা বলেন, মরহুম মাওলানা আশেক এলাহী একজন অনুকরণীয় জীবনাদর্শ রেখে গেছেন। শিক্ষকতা, ইসলামী বয়ান ও হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন এতদঞ্চলের মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। মানবিক ও আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তারা আরও বলেন, সৎ, নিরহংকারী, নির্লোভ ও পরহেজগার ব্যক্তি হিসেবে মাওলানা আশেক এলাহী সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন। তাঁর জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মনিরুল ইসলাম।