
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রস্তাবিত রাষ্ট্র কাঠামো পুনর্গঠনের ৩১ দফা বাস্তবায়নে জনমত সৃষ্টি ও সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার কালীপুর রামদাশ মুন্সিরহাট এলাকায় এই লিফলেট বিতরণ করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাঁশখালী আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা। এ সময় নেতাকর্মীরা ধানের শীষের পক্ষ সমর্থনে স্লোগান দিতে দিতে পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলেন এবং পথচারী ও স্থানীয় জনগণের হাতে ৩১ দফা সম্বলিত লিফলেট তুলে দেন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন—আলহাজ্ব আমিনুর রহমান চৌধুরী, কালীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাহেরুল হক ও আমানুল্লাহ, বিএনপি নেতা আবু তালেব, জেলা যুবদলের সহ-প্রচার সম্পাদক নুরুল আলম, গুনাগরী ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোঃ আলী, বিএনপি নেতা আহমদ জালাল, বাঁশখালী স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হেফাজ উদ্দীন চৌধুরী ও সদস্য সচিব দিদারুল আলম, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সদস্য এস. এম. তৈয়ব, কালীপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সদস্য সচিব রফিক আহমদ, যুবদল নেতা মোঃ মঈনুদ্দিন, ওবায়দুল, মিজানুর রহমান, টিংকু দে, ছাত্রদল নেতা বেলাল মাহামুদ, শাহেদ তালুকদার, মোঃ তারেকুল ইসলাম ও মাহাবুবুল আলম বাবুসহ উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
লিফলেট বিতরণ শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা বলেন—“তারেক রহমানের উপস্থাপিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা শুধু বিএনপি বা কোনো জোটের কর্মসূচি নয়; এটি বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের ঘোষণাপত্র। এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রশাসন, বিচার বিভাগ, নির্বাচন ব্যবস্থা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোকে পুনর্গঠনের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আপনারা আমার পিতা মরহুম জাফরুল ইসলাম চৌধুরীকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠিয়েছিলেন এবং মন্ত্রী বানিয়েছিলেন। তার আদর্শ ধারণ করে আমিও যদি ধানের শীষের মনোনয়ন পাই, তবে আপনাদের সেবা করতে চাই ঠিক আমার পিতার মতো।”
লিফলেট বিতরণকে ঘিরে স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ৩১ দফার বিষয়বস্তু মনোযোগ দিয়ে শোনেন ও লিফলেট সংগ্রহ করেন। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এই কার্যক্রমকে আসন্ন নির্বাচনের প্রাক্-প্রস্তুতি ও মাঠপর্যায়ে বিএনপির অবস্থান শক্তিশালী করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।