মৌলভীবাজারের বর্ষীয়ান রাজনৈতিক নেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য খালেদা রব্বানীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে তাঁর বাসভবনে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৭ জুন ২০২৬) বিকেলে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৯টি ওয়ার্ডে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর তৃতীয় পর্যায়ের বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে তিনি সরাসরি খালেদা রব্বানীর বাসভবনে যান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রবীণ এই নেত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তাঁর চিকিৎসা ও সার্বিক সুস্থতা কামনা করেন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগতে থাকা খালেদা রব্বানী প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। উপস্থিত স্বজন ও দলীয় নেতাকর্মীদের সামনেই তিনি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে তারেক রহমান খালেদা রব্বানীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, দল ও দেশের প্রতি তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, দলের দুঃসময়ে যাঁরা সাহসিকতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাঁদের অবদান কখনোই বিস্মৃত হওয়ার নয়। প্রবীণ নেতাকর্মীদের প্রতি সম্মান ও খোঁজখবর রাখা দলের নৈতিক দায়িত্ব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, খালেদা রব্বানীর পরিবারের সদস্য এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
খালেদা রব্বানী বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন সুপরিচিত মুখ। তিনি সংরক্ষিত নারী আসন থেকে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নেতাকর্মীদের কাছে বিশেষভাবে স্মরণীয়।
প্রধানমন্ত্রীর এ সৌজন্য সাক্ষাৎ স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। প্রবীণ এই নেত্রীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেওয়াকে মানবিক ও রাজনৈতিক সৌজন্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।