শিরোনাম
সাতকানিয়ায় পল্লী বিদ্যুতের ৩৩ কেভি সাবস্টেশনে বন্যার পানি, ১৬ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন বিমানবন্দরের রানওয়ে সুরক্ষায় ১২ নম্বর খাল পুনঃখনন করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্যাকবলিত সাতকানিয়ায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াত আমীর, ত্রাণ ও নগদ সহায়তা বিতরণ বাঁশখালীতে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস জামায়াত আমীরের শিলকুপে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে এনামুল হক, ঘরে ঘরে পৌঁছাচ্ছে ত্রাণ চন্দনাইশে দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে জলাবদ্ধতায় ঘরবন্দী মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরীর, চলবে ত্রাণ কার্যক্রম সাতকানিয়ায় সাঙ্গু নদীর বাঁধ ভেঙে শতাধিক গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি হাজারো পরিবার পুকুরিয়ায় পানিবন্দি পরিবারের পাশে জামায়াত, বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে প্রধানমন্ত্রী, ত্রাণে কেউ বঞ্চিত হবে না: মীর হেলাল
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে উদ্বেগ: ব্যাখ্যা দিল সাতকানিয়া পল্লী বিদ্যুৎ

মিজানুর রহমান রুবেল সাতকানিয়া প্রতিনিধি / ১৬০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর অধীন সাতকানিয়া জোনাল অফিসের আওতাভুক্ত অনেক গ্রাহকের জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল আগের তুলনায় বেশি আসায় বিভিন্ন প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে গ্রাহকদের উদ্বেগের প্রেক্ষিতে বিল বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করেছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২৯ জুন) সাতকানিয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা জানান, সরকারের নির্ধারিত বিদ্যুতের ইউনিট মূল্য বৃদ্ধি, লোডশেডিং কমে যাওয়ায় বিদ্যুতের ব্যবহার বেড়ে যাওয়া এবং ঈদুল আজহা উপলক্ষে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের ফলে জুন মাসের বিল তুলনামূলক বেশি এসেছে।

সাতকানিয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এজিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, অনেক গ্রাহক এখনো বিদ্যুতের নতুন ইউনিট মূল্য সম্পর্কে অবগত নন। আগে ০ থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত প্রতি ইউনিটের মূল্য ছিল ৫ টাকা ২৬ পয়সা, যা বর্তমানে ৬ টাকা ১৮ পয়সা করা হয়েছে। একইভাবে ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত প্রতি ইউনিটের মূল্য ৭ টাকা ২০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিল প্রস্তুতের সময় কখনো কখনো তথ্য এন্ট্রি বা টাইপিংজনিত ভুল হতে পারে। কোনো গ্রাহকের বিল অস্বাভাবিক মনে হলে তিনি অফিসে যোগাযোগ করলে বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে। এতে গ্রাহকদের কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হতে হবে না।

এদিকে সাতকানিয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম (ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার) মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, এপ্রিল মাসে লোডশেডিং বেশি থাকায় মে মাসে বিদ্যুতের ব্যবহার কম ছিল। কিন্তু মে মাসে লোডশেডিং উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায় এবং পবিত্র ঈদুল আজহার সময় বিদ্যুতের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় জুন মাসের বিলে ব্যবহৃত ইউনিটের পরিমাণ বেশি এসেছে।

তিনি আরও বলেন, প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য আগের তুলনায় ৯২ পয়সা বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক গ্রাহকের বিল স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কোনো ধরনের সন্দেহ বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট জোনাল অফিসে যোগাযোগ করে বিল যাচাই করার জন্য গ্রাহকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সাতকানিয়া পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ