শিরোনাম
জন্মদিনে বিশেষ ফটোশুট, বলিউডি আয়োজনে মৌ রহমান সীতাকুণ্ড থেকে আনোয়ারা, ২৫ বছরের মহাপরিকল্পনায় বদলে যাবে চট্টগ্রামের নগরচিত্র ৬ ইউনিয়ন নিয়েই উত্তর সাতকানিয়া থানা, অন্য এলাকা নয় ৩৫ বছর ধরে বসবাস, উচ্ছেদে বাধা: সীতাকুণ্ডে রেলওয়ের অভিযান স্থগিত ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ থেকে এখন ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’—এ্যানি অটোমেশনের পথে চট্টগ্রাম বন্দর, তবু কমছে না হয়রানি টেন্ডারে বাদ, পরে অপারেটর—কীভাবে? কুতুবদিয়া-বহির্নোঙরে জাহাজ বরাদ্দ নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন বিরোধ পরিবেশবান্ধব পর্যটন গড়ে তোলার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর বায়েজিদ লিংক রোড থেকে ৮ হাজার ২৮৫ পিস ইয়াবাসহ ৩ রোহিঙ্গা গ্রেফতার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন

সাতকানিয়া বন্যায় একমাত্র সম্বল বসতবাড়ি হারিয়ে দিশেহারা মোঃ সেলিম

মিজানুর রহমান রুবেল সাতকানিয়া প্রতিনিধি / ১০৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় পৌরসভার দক্ষিণ সামিয়ার পাড়া ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ সেলিমের একতলা পাকাঁ বাড়িটি ভেঙ্গে যায় পানির স্রোতে, বাড়িটি ছিল ডলু নদীর কোল ঘেঁষে রাস্তার পাশেই।

টানা বৃষ্টির ৫ম দিন রাত বুধবার রাত ১টার দিকে
ডলুর পানির তীব্র স্রোতে বাড়ির পাশের সড়কটি ভেঙে যায়। এরপরই স্রোতের আঘাত লাগে তাঁর বসতঘরের সীমানাপ্রাচীরে।

বাড়িতে ছিল আসবাবপত্র সহ প্রয়োজনীয় সবকিছুই, পানির স্রোতে যখন বাড়ি ধসে পড়ছিল তখন পরিবারের সবাই বাড়ির বাইরে ছিল যার কারণে প্রাণে বেঁচে যাই পুরো পরিবার।

প্রতিবেশীদের সহায়তায় কোনোমতে পরিবার নিয়ে প্রাণে বাঁচলেও, বৃহস্পতিবার সকাল হতেই দেখতে পাই বাড়ির সাথে সাথে সবকিছুই হারিয়েছেন তিনি।

 

কান্নাজড়িত কণ্ঠে মো. সেলিম বলেন, সারা জীবনের কষ্টের টাকায় করা এই ঘরটি ছাড়া কিছুই নাই, দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলাম কষ্টার্জিত টাকায় এই বাড়িটি করা, পরিবার নিয়ে সব ঠিকঠাক মতোই চলছিল,কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে বন্যায় সব শেষ করো দিয়ে গেল, এখন আমি কোথায় যাব, কী করব-কিছুই ভেবে পাচ্ছি না।

পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি । বাড়ির মালামাল তো গেছে, পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই রক্ষা করতে পারিনি। এমন অবস্থায় উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আমার অনুরোধ যত দ্রুত সম্ভব আর্থিক সহযোগিতার অনুরোধ জানাচ্ছি।

এদিকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার বিষয়ে জানতে চাইলে

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান জানান, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় উপজেলার ১১৭ টি ওয়ার্ড প্লাবিত হয়েছিল। কিছু কিছু জায়গায় পানি নেমে গেছে, তবে এখনো অনেকগুলো এলাকায় বন্যার পানি এখনো আছে,
মৎস্য, কৃষি, এলজিইডি সহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, যে সকল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেটির অ্যাসেসমেন্ট করার জন্য।
এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন মহলের সাথে কথা বলেছি অ্যাসেসমেন্টের যে রিপোর্টটি দেওয়া হবে, সে অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ