শিরোনাম
পাহাড়তলী ডিজেল শপে এক-তৃতীয়াংশ জনবল, জোড়াতালিতে সচল শত শত ইঞ্জিন ব্যবসার জটিলতা কাটাতে উদ্যোক্তাদের হাতে দক্ষতার প্রশিক্ষণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে কর্ণফুলীতে মশক নিধন অভিযান ও সচেতনতামূলক র‍্যালি বাঁশখালীতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে কোরআন, নৈতিক সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে মনির আহমদ ফাউন্ডেশন প্রধানমন্ত্রীকে ‘নব্য ফ্যাসিবাদের পাহারাদার’ বললেন নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী চন্দনাইশে সাতবাড়ীয়া নাজিরহাট ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে মাহফুজ-রবিউলের হ্যাটট্রিক ঝুঁকি নিয়ে নেপালের দুর্যোগের চিত্র তুলে ধরায় শহীদুল ইসলাম বাবরকে ফুলেল শুভেচ্ছা হাসপাতালের প্রবৃদ্ধির নতুন সুযোগ: নতুন রোগীর পাশাপাশি পুরোনো রোগীকেও বুঝতে হবে সাতকানিয়া কালিয়াইশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও সংবর্ধনা পটিয়ার হাফেজ শিক্ষার্থীদের জন্য নাহার পার্কে বিনামূল্যে ভ্রমণের সুযোগ
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন

২০২৬ সালের বন্যায় সাতকানিয়ার বানভাসি মানুষের নীরব সহায়ক প্রধান শিক্ষক মিল্টন বিকাশ দাশ

বার্তা টুডে ডেস্ক / ২১৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

২০২৬ সালের ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে হাজারো পরিবার পানিবন্দি ও মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়। এমন দুর্যোগের সময় প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন বাজালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিল্টন বিকাশ দাশ।

বন্যার শুরু থেকেই তিনি বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দাতা সংস্থার কাছ থেকে খাদ্যসামগ্রী ও ত্রাণ সংগ্রহ করে সাতকানিয়া উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের বন্যাকবলিত, দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিতরণ করেন। কোনো ধরনের প্রচারণা ছাড়াই নিরলসভাবে পরিচালিত তার এই মানবিক কার্যক্রমে উপকৃত হয় শতাধিক পরিবার।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মিল্টন বিকাশ দাশ শুধু একজন দক্ষ শিক্ষাবিদ নন, তিনি একজন মানবিক মানুষও। যে কোনো দুর্যোগ, প্রাকৃতিক বিপর্যয় কিংবা সামাজিক সংকটে তিনি সবার আগে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। মানবসেবার প্রতি তার আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা তাকে এলাকায় একজন শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

তার সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের ভাষায়, শিক্ষক হিসেবে যেমন তিনি আদর্শ, তেমনি একজন অভিভাবক হিসেবেও তিনি অনন্য। তারা বলেন, “স্যার আমাদের নিজের সন্তানের মতো স্নেহ করেন। সুখ-দুঃখ, বিপদ-আপদে সব সময় আমাদের পাশে থাকেন। তার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শুধু শিক্ষক-শিক্ষার্থীর নয়, পরিবারের সদস্যের মতো।”

শিক্ষার্থীরা আরও জানান, ২০০৩ সাল থেকে তারা দেখে আসছেন, মিল্টন বিকাশ দাশ নীরবে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। অসহায় মানুষের সহায়তায় তিনি কখনো প্রচার বা স্বীকৃতি প্রত্যাশা করেন না; বরং মানবসেবাকেই নিজের নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে মনে করেন।

মানবিক মূল্যবোধ, সমাজসেবা ও অসহায় মানুষের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতার কারণে প্রধান শিক্ষক মিল্টন বিকাশ দাশ আজ সাতকানিয়ার মানুষের কাছে একজন অনুকরণীয় শিক্ষক এবং মানবিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে ব্যাপক প্রশংসিত। তাঁর এই নীরব মানবিক অবদান স্থানীয় সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ