চট্টগ্রামের পটিয়ায় মারকাজ পরীক্ষা-২০২৬-এ মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। দারুত তাকওয়া মহিলা মাদ্রাসার উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে ‘অ্যাওয়ার্ড অব এক্সেলেন্স’ ও ‘শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার’ তুলে দেওয়া হয়।
রবিবার (২ আগস্ট) সকাল ১০টায় পটিয়াস্থ দারুত তাকওয়া মহিলা মাদ্রাসার মিলনায়তনে উৎসবমুখর পরিবেশে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
আনজুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ (কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড) কর্তৃক অনুষ্ঠিত মারকাজ পরীক্ষা-২০২৬-এ মেধা তালিকায় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বের স্বীকৃতি ও তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দারুত তাকওয়া মহিলা মাদ্রাসার শাইখুল হাদিস আল্লামা হাফেজ তৈয়ব সাহেব।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বেসরকারি মাদ্রাসা অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হাফেজ রফিক বিন হুসাইন, পটিয়া মডেল মাদ্রাসার হাফেজ রুহুল্লাহ এবং রিয়াজুল উলুম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মাওলানা ইয়াসিন আরাফাত।
দারুত তাকওয়া মহিলা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতী বেলাল উদ্দিন আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা, পরিশ্রম ও অর্জনের যথাযথ স্বীকৃতি তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি সম্মাননা ও পুরস্কার ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের অনুপ্রেরণা জোগায়। মেধাবী শিক্ষার্থীদের এমন স্বীকৃতি অন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যেও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব ও পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করবে।
তারা বলেন, কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার মূল লক্ষ্য কেবল পাঠ্যজ্ঞান অর্জন নয়; বরং কুরআন-সুন্নাহর আলোকে নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও আদর্শিক চেতনায় শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলা। তাই আধুনিক সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দ্বীনি জ্ঞানের পাশাপাশি দক্ষতা, শৃঙ্খলা, সততা ও নৈতিক গুণাবলি অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, একটি আদর্শ সমাজ ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে সুশিক্ষিত ও নৈতিক প্রজন্মের বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি ইসলামী আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মারকাজ পরীক্ষা-২০২৬-এ কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে ‘অ্যাওয়ার্ড অব এক্সেলেন্স’ ও ‘শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার’ তুলে দেন অতিথিরা। পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনের সাফল্য কামনা করা হয়।
পরে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।চাইলে এটিকে আরও পত্রিকার উপযোগী সংক্ষিপ্ত সংস্করণ, অনলাইন নিউজ পোর্টালের আকর্ষণীয় ভার্সন বা ৫টি ভিন্ন শিরোনামসহ সাজিয়ে দিতে পারি।