চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ১ নম্বর গেট থেকে জিরো পয়েন্ট সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া বৃদ্ধি এবং পরবর্তীতে হঠাৎ গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে জিরো পয়েন্টের প্রধান ফটক বন্ধ করে দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন চাকসুর নেতারা।
চাকসু ও প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পূর্বঘোষণা ছাড়াই গ্যাস সংকটের অভিযোগ তুলে ১ নম্বর গেট থেকে জিরো পয়েন্টগামী সিএনজি চালকরা ভাড়া ৩ টাকা বাড়িয়ে দেন। পরে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই সন্ধ্যা থেকে সিএনজি চালকরা একযোগে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেন। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে শিক্ষার্থীরা আসতে চাইলে বাসে না নেওয়ার অভিযোগ উঠে। এর প্রতিবাদে সিএনজি সিন্ডিকেট বন্ধ এবং চক্রাকার বাস সার্ভিস চালুর দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন চাকসু নেতারা। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক ২ টি চক্রাকার বাস চালু করলে চাবি নিয়ে নেওয়া বন্ধ রয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের।
চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভূঁঞা বলেন, “সিএনজি সিন্ডিকেটের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮ হাজার শিক্ষার্থী জিম্মি। প্রায়ই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়। এখন আমাদের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে চক্রাকার বাস সার্ভিস চালু করতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত এর সমাধান না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা এখানে থাকব। আমরা স্থায়ী সমাধান চাই।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন বলেন, “আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। ১ নম্বর গেট থেকে ১০ টাকা ভাড়া চাওয়া হয়েছে, যেখানে নির্ধারিত ভাড়া ৭ টাকা। কোনো নোটিশ ছাড়াই তারা ভাড়া বাড়িয়েছে। তারা গ্যাস পাচ্ছে না এমন বিষয় আমরা জেনেছি। আপাতত দুটি বাস দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে। তবে আমি যতটুকু শুনেছি, যারা আন্দোলন করছেন তারা বাসের চাবি নিয়ে গেছেন। এ কারণে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।”