শিরোনাম
আওয়ামী ফ্যাসিবাদ নিয়ে চাকসুর ‘নির্যাতনের দাগ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন চাকসুর “আজাদীর ইতিবৃত্ত” বইয়ের মোড়ক উন্মোচন সাতকানিয়ায় মামলার পুনঃতদন্ত দাবি, সিসিটিভি দেখে অপরাধী শনাক্তের আহ্বান স্বজনদের সন্দ্বীপে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে তালুকদার পরিবারের সংবাদ সম্মেলন লোহাগাড়ায় ১ দিনে পাঁচ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দনাইশে একদিনে ৪ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন জাতীয় বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি সফল করতে লোহাগাড়া উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি চট্টগ্রাম কসমোপলিটন হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ; নতুন ভর্তি বন্ধ অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতিকে আনুষ্ঠানিক কাঠামোয় আনতে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি শাহ আমানত বিমানবন্দরে ১.৪৮ কেজি স্বর্ণসহ যাত্রী আটক, রাজস্ব নির্ধারণ ২.৮৪ কোটি টাকা
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন

সাতকানিয়ায় মামলার পুনঃতদন্ত দাবি, সিসিটিভি দেখে অপরাধী শনাক্তের আহ্বান স্বজনদের

সাতকানিয়া প্রতিনিধি চট্টগ্রাম / ৪১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হওয়ার পর বাসে আগুন দেওয়া, পুলিশের ওপর হামলা ও অস্ত্র লুটের অভিযোগে দায়ের করা মামলার পুনঃতদন্ত দাবি জানিয়েছেন নিহত দেলোয়ার হোসেনের বড় ভাই আনোয়ার হোসেন। একই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করার পাশাপাশি নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না করার আহ্বান জানিয়েছেন আহত ইফার উদ্দিনের ছোট ভাই এহসান।

নিহত দেলোয়ার হোসেনের বড় ভাই আনোয়ার হোসেনের অভিযোগ, পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না, এমন ব্যক্তিদেরও আসামি করা হয়েছে। তাঁর দাবি, মামলায় ১২ থেকে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এতে নিরপরাধ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনার সঙ্গে প্রকৃতপক্ষে যারা জড়িত, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তবে ঘটনার সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই, এমন কাউকে যেন হয়রানির শিকার হতে না হয়।

অন্যদিকে, আহত ইফার উদ্দিনের ছোট ভাই এহসান জানান, ঘটনার দিন তাঁর আত্মীয়স্বজনেরা আহত ভাইকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু পরে তিনি জানতে পারেন, তাঁর বন্ধুদের আটক করা হয়েছে।

এহসান বলেন, “আমি চাই, মামলাটি আবার তদন্ত করা হোক। সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে ঘটনার সঙ্গে প্রকৃতপক্ষে কারা জড়িত, তা শনাক্ত করা হোক। কেউ অপরাধ করে থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তবে নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়।”

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া উপজেলার নয়াখাল এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক শিশুসহ দুইজন নিহত হন। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হন।

দুর্ঘটনার পর বাসে আগুন দেওয়া, পুলিশের ওপর হামলা ও অস্ত্র লুটের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও আহত ব্যক্তির স্বজনেরা।

তাঁদের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজসহ সব প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ