শিরোনাম
চট্টগ্রাম বন্দরে ৯ম পে-স্কেলের বেতন-ভাতা নির্ধারণ সম্পন্ন, নভেম্বর থেকে বাড়তি বেতন পাচ্ছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যান্সারে ঝরে গেল চবির সাবেক শিক্ষার্থী সাজু লোহাগাড়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের ইউনিয়ন পর্যায়ের খেলোয়াড় বাছাই শুরু চবিতে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান দিবস পালন চবির হীরকজয়ন্তীর মঞ্চ মাতাবেন জেমস, আসছে ‘নগর বাউল’ কলাউজানে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৫০ লাখ টাকার বেশি উন্নয়নকাজ, আলোচনায় প্যানেল চেয়ারম্যান হাবিব ‎পটিয়ায় ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী চট্টগ্রাম বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর জাহাজ, শুরু হচ্ছে যৌথ মহড়া ‘কারাত-২০২৬’ মফস্বল সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহযোগিতার আশ্বাস জেলা প্রশাসকের লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক ও শপথবাক্য পাঠ সম্পন্ন
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রাম বন্দরে ৯ম পে-স্কেলের বেতন-ভাতা নির্ধারণ সম্পন্ন, নভেম্বর থেকে বাড়তি বেতন পাচ্ছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

বার্তা টুডে ডেস্ক / ৪৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

জাতীয় বেতনস্কেল, ২০২৬ (৯ম পে-স্কেল) অনুযায়ী চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর নতুন বেতন-ভাতা নির্ধারণ এবং পে-ফিক্সেশন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। সম্পূর্ণ অনলাইন, ডিজিটাল স্বাক্ষরযুক্ত ও পেপারলেস পদ্ধতিতে এ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর ফলে গত ১ নভেম্বর থেকে নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন পাচ্ছেন বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সঙ্গে পেনশনভোগীরাও নতুন স্কেলে বর্ধিত পেনশন সুবিধা পেতে শুরু করেছেন।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নির্ধারণ থেকে শুরু করে পে-ফিক্সেশনের পুরো প্রক্রিয়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হয়েছে। এ কার্যক্রমের আওতায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত পেনশনভোগীদের প্রাপ্য সুবিধাও নতুন স্কেল অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে চলতি নভেম্বর মাসেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা তিন মাসের বর্ধিত বেতনের বকেয়া অর্থ পাবেন। ফলে নতুন বেতনস্কেল কার্যকরের পাশাপাশি বকেয়া অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধাও নিশ্চিত হতে যাচ্ছে সংশ্লিষ্টদের।

বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত, সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা ও দৃঢ় নেতৃত্বে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এত বড় প্রশাসনিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও দপ্তরগুলোর সমন্বিত উদ্যোগে পুরো প্রক্রিয়া নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে পে-ফিক্সেশন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় প্রচলিত কাগজপত্রনির্ভর প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ও দাপ্তরিক জটিলতা অনেকাংশে কমেছে। পাশাপাশি ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবহারের ফলে নথি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, নির্ভুলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ ও প্রশাসনিক অনুমোদনের প্রক্রিয়াও আরও গতিশীল হয়েছে।

এ সাফল্য অর্জনে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, আন্তরিকতা ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত অংশগ্রহণের ফলেই বৃহৎ এ প্রশাসনিক কার্যক্রম কোনো ধরনের কাগজপত্রনির্ভর জটিলতা ছাড়াই অনলাইনে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর হিসেবে জাতীয় অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এ প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নতুন বেতনস্কেলের পে-ফিক্সেশন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়াকে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এ উদ্যোগ আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, কর্মকর্তা-কর্মচারীবান্ধব ও স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ভবিষ্যতে বন্দরের অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রমেও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার সম্প্রসারণ হলে সেবার মান, কর্মদক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ