শিরোনাম
শীলকূপে ‘ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান ট্রি’ ক্যাম্পেইন, সাড়ে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ফলজ গাছের চারা নৃত্যের মঞ্চ পেরিয়ে অভিনয়ে মুনমুনের নতুন স্বপ্ন মানবাধিকার সুরক্ষায় চট্টগ্রামে আসক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম জোরদার নাঙ্গলমোড়া শামসুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার নতুন গভর্নিং বডি, সভাপতি লায়ন সালাউদ্দীন আলী সাতকানিয়ায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়নে ১০ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সমাপ্ত চন্দনাইশে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের জার্সি উন্মোচন পাঁচ দিনের শুভেচ্ছা সফরে, চট্টগ্রাম বন্দরে চীনা নৌবাহিনীর তিন যুদ্ধজাহাজ নাশকতা প্রতিরোধে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তল্লাশি নাচের মঞ্চ থেকে রুপালি পর্দায় সোনিয়া লাজুক অপরাধ দমনে একের পর এক সাফল্য, জেলা পুলিশের বিশেষ পুরস্কার পেলেন চন্দনাইশের ওসি
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৮ অপরাহ্ন

নাশকতা প্রতিরোধে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তল্লাশি

জঙ্গল সলিমপুরে ৩ শতাধিক সদস্যের যৌথ অভিযান / ৪২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রায় তিন শতাধিক সদস্যের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএমের নেতৃত্বে আলীনগর, নবীনগর, ওসমানের ঘোনাসহ বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি, এসআরবি, এপিবিএনসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। এ সময় পুলিশ, বিজিবি ও এসআরবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের সদস্যরাও অভিযানে ছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় কিছু অপরাধী ও সন্ত্রাসী সংঘবদ্ধ হয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করতে পারে—এমন আশঙ্কায় সম্ভাব্য অপরাধ ও নাশকতা প্রতিরোধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সমন্বিত টহল জোরদার করা হয় এবং বিভিন্ন পাহাড়ি ঘরবাড়ি, স্থাপনা, পরিত্যক্ত স্থান ও সন্দেহজনক এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়।

অভিযানকালে বিভিন্ন স্থানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের পরিচয় ও অবস্থান যাচাই-বাছাই করা হয়। একইসঙ্গে সম্ভাব্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হতে পারে—এমন সন্দেহজনক বস্তু বা আলামতের বিষয়ে সতর্কতার সঙ্গে নজরদারি করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, অভিযানের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল অপরাধীদের সংঘবদ্ধ হওয়ার সুযোগ প্রতিরোধ, নাশকতার সম্ভাব্য প্রস্তুতি নস্যাৎ করা এবং অপরাধ সংঘটনের অনুকূল পরিবেশ রোধ করা। একইসঙ্গে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এ ধরনের সমন্বিত কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অভিযানকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মতবিনিময় করেন এবং তাদের নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন। পাশাপাশি কোনো ধরনের অপরাধ, সন্দেহজনক ব্যক্তি বা তৎপরতা চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর জন্য স্থানীয়দের উৎসাহিত করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, জননিরাপত্তা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জঙ্গল সলিমপুরসহ দুর্গম এলাকাগুলোতে বাংলাদেশ পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ