শিরোনাম
গোমদণ্ডী পাইলট মডেল স্কুলে দায়িত্বের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ক্যান্সার এখন মহামারি: বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ১৭ ফ্যাশন হাউজের তারকাখচিত আয়োজনে বাংলাদেশ ফ্যাশন রানওয়ে উইক রেললাইন অবরোধের পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক, ঝুঁকিপূর্ণ ক্রসিংয়ে দ্রুত গেটম্যান দেওয়ার উদ্যোগ শীলকূপে ‘ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান ট্রি’ ক্যাম্পেইন, সাড়ে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ফলজ গাছের চারা নৃত্যের মঞ্চ পেরিয়ে অভিনয়ে মুনমুনের নতুন স্বপ্ন মানবাধিকার সুরক্ষায় চট্টগ্রামে আসক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম জোরদার নাঙ্গলমোড়া শামসুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার নতুন গভর্নিং বডি, সভাপতি লায়ন সালাউদ্দীন আলী সাতকানিয়ায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়নে ১০ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সমাপ্ত চন্দনাইশে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের জার্সি উন্মোচন
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত সাতকানিয়ার কামার শিল্পীরা

মিজানুর রহমান রুবেল, সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) / ১৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কামারপল্লীগুলোতে এখন চলছে কর্মব্যস্ত সময়। কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় দা, ছুরি, বটি ও চাপাতি তৈরি এবং পুরোনো সরঞ্জামে শান দিতে দিন-রাত পরিশ্রম করছেন কামার শিল্পের কারিগররা।

ঈদের আর মাত্র একদিন বাকি থাকায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ নতুন সরঞ্জাম কিনতে ও পুরোনো সরঞ্জাম ধার করাতে ভিড় করছেন কামারপল্লীগুলোতে।

সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আগুনের তাপে লোহা পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের জবাইয়ের সরঞ্জাম।

কামারপাড়ার ৭০ বছর বয়সী কারিগর রঞ্জিত দাশ জানান, তিনি প্রায় ৪৫ বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে জড়িত। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই কাজের চাপ বাড়ছে। বর্তমানে প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে তাদের।
তিনি বলেন, “গত বছর কয়লার বস্তা ছিল ৪৫০ টাকা, এখন সেটি ৬০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। প্রতি বস্তায় থাকে মাত্র ৫ কেজি কয়লা। কয়লার দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচও বেড়েছে।”

তিনি আরও জানান, বর্তমানে নতুন দা বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা, বটি ৩৫০ থেকে ৯০০ টাকা, বড় ছুরি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ছোট ছুরি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা এবং স্প্রিং দা বিক্রি হচ্ছে ১২০০ টাকায়। এছাড়া পুরোনো সরঞ্জামে শান দিতে ছুরি ৭০ টাকা, দা ১০০ টাকা, বড় ছুরি ৩০০ টাকা এবং বটি ১০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়লেও কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে এখনও কামার শিল্পের চাহিদা অনেক বেশি। বছরের অন্য সময় তুলনায় ঈদের আগে এই শিল্পের কারিগররা সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত সময় পার করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ