শিরোনাম
সাতকানিয়ায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি, খুশি যাত্রীরা সাতকানিয়ায় সড়কের পাশে পশুর হাট, তীব্র যানজটে দুর্ভোগে যাত্রী ও রোগীরা কর্ণফুলীর কলেজ বাজারে রেস্টুরেন্ট ঘিরে বিতর্ক, শিক্ষার্থীদের আনাগোনায় বাড়ছে উদ্বেগ চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে যানজটের অন্যতম কারণ ঈগল পরিবহন সাতকানিয়া সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদুল আযহা বুধবার ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত সাতকানিয়ার কামার শিল্পীরা সাতকানিয়ায় পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬ অনুষ্ঠিত ঈদকে সামনে রেখে কেরানীহাটে যানজট নিরসন ও বাস ভাড়া নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের তদারকি ঈদযাত্রায় নারীদের জন্য ট্রেনে বিশেষ কোচ, নির্বিঘ্ন ভ্রমণে সরকারের বিশেষ উদ্যোগ চীনের শানঝিতে কয়লাখনি বিস্ফোরণ: প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক, পাশে থাকার আশ্বাস বাংলাদেশের
বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত সাতকানিয়ার কামার শিল্পীরা

মিজানুর রহমান রুবেল, সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) / ৪৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কামারপল্লীগুলোতে এখন চলছে কর্মব্যস্ত সময়। কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় দা, ছুরি, বটি ও চাপাতি তৈরি এবং পুরোনো সরঞ্জামে শান দিতে দিন-রাত পরিশ্রম করছেন কামার শিল্পের কারিগররা।

ঈদের আর মাত্র একদিন বাকি থাকায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ নতুন সরঞ্জাম কিনতে ও পুরোনো সরঞ্জাম ধার করাতে ভিড় করছেন কামারপল্লীগুলোতে।

সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আগুনের তাপে লোহা পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের জবাইয়ের সরঞ্জাম।

কামারপাড়ার ৭০ বছর বয়সী কারিগর রঞ্জিত দাশ জানান, তিনি প্রায় ৪৫ বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে জড়িত। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই কাজের চাপ বাড়ছে। বর্তমানে প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে তাদের।
তিনি বলেন, “গত বছর কয়লার বস্তা ছিল ৪৫০ টাকা, এখন সেটি ৬০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। প্রতি বস্তায় থাকে মাত্র ৫ কেজি কয়লা। কয়লার দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচও বেড়েছে।”

তিনি আরও জানান, বর্তমানে নতুন দা বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা, বটি ৩৫০ থেকে ৯০০ টাকা, বড় ছুরি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ছোট ছুরি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা এবং স্প্রিং দা বিক্রি হচ্ছে ১২০০ টাকায়। এছাড়া পুরোনো সরঞ্জামে শান দিতে ছুরি ৭০ টাকা, দা ১০০ টাকা, বড় ছুরি ৩০০ টাকা এবং বটি ১০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়লেও কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে এখনও কামার শিল্পের চাহিদা অনেক বেশি। বছরের অন্য সময় তুলনায় ঈদের আগে এই শিল্পের কারিগররা সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত সময় পার করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ