জনগণের প্রত্যাশা, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং দেশ গড়ার অঙ্গীকারকে সামনে রেখে বাংলাদেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৩ জুন ২০২৬) সকালে রাজধানী থেকে তাঁর এ সফর শুরু হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার সফরকালে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শন, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং জনসাধারণের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া পর্যটন শিল্পের বিকাশ, উপকূলীয় অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা, পরিবেশবান্ধব পর্যটন নিশ্চিত করা এবং উপকূলীয় অঞ্চলের টেকসই উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি দিকনির্দেশনা প্রদান করতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মতামত ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার যে নীতি সরকার অনুসরণ করছে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর তারই একটি অংশ। জনতার স্পন্দন ধারণ করে এবং একটি সমৃদ্ধ, আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে সরকারের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে তিনি দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করেছেন।
কক্সবাজারে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন বলে জানা গেছে। এ সফরকে ঘিরে জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র। পর্যটন, মৎস্য, যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দিক থেকে জেলার গুরুত্ব বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চারকারী হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।