শিরোনাম
সাতকানিয়ায় পল্লী বিদ্যুতের ৩৩ কেভি সাবস্টেশনে বন্যার পানি, ১৬ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন বিমানবন্দরের রানওয়ে সুরক্ষায় ১২ নম্বর খাল পুনঃখনন করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্যাকবলিত সাতকানিয়ায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াত আমীর, ত্রাণ ও নগদ সহায়তা বিতরণ বাঁশখালীতে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস জামায়াত আমীরের শিলকুপে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে এনামুল হক, ঘরে ঘরে পৌঁছাচ্ছে ত্রাণ চন্দনাইশে দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে জলাবদ্ধতায় ঘরবন্দী মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরীর, চলবে ত্রাণ কার্যক্রম সাতকানিয়ায় সাঙ্গু নদীর বাঁধ ভেঙে শতাধিক গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি হাজারো পরিবার পুকুরিয়ায় পানিবন্দি পরিবারের পাশে জামায়াত, বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে প্রধানমন্ত্রী, ত্রাণে কেউ বঞ্চিত হবে না: মীর হেলাল
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম বন্দরে শতভাগ ডিজিটাল ডেলিভারি ব্যবস্থা, বাড়ল সেবার গতি ও স্বচ্ছতা

জাহাঙ্গীর আলম / ১৬৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (সিপিএ) বন্দরের কার্যক্রমকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও পেপারলেস করার লক্ষ্যে শতভাগ স্বয়ংক্রিয় টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেম (TOS) চালু করেছে। এর ফলে ডেলিভারি অর্ডার (DO) আবেদন থেকে শুরু করে পণ্যবাহী কন্টেইনারের চূড়ান্ত গেট আউট পর্যন্ত পুরো ডেলিভারি ডকুমেন্টেশন প্রক্রিয়া এখন থেকে সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন হবে।

২ জুলাই (বৃহস্পতিবার) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর ২০১১ সাল থেকেই জাহাজ ও কন্টেইনার চলাচল ব্যবস্থাপনায় TOS ব্যবহার করে আসলেও ডেলিভারি ডকুমেন্টেশনের বড় অংশ ম্যানুয়ালি পরিচালিত হতো। নতুন আপগ্রেডের মাধ্যমে এখন পুরো প্রক্রিয়াই ডিজিটাল TOS ইকোসিস্টেমের আওতায় পরিচালিত হবে।

নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি ধাপ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন হবে। কোনো ব্যবহারকারী বা সিঅ্যান্ডএফ (C&F) এজেন্ট একটি ধাপ সম্পন্ন না করে পরবর্তী ধাপে যেতে পারবেন না। প্রতিটি ধাপ সফলভাবে যাচাই হওয়ার পরই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী ধাপ চালু হবে।

নিরাপত্তা ও আইনগত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে বন্দরের TOS-কে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)-এর ASYCUDA World সিস্টেমের সঙ্গে রিয়েল-টাইমে সংযুক্ত করা হয়েছে। ফলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কোনো কন্টেইনার বা চালান হোল্ড বা ব্লক করলে তাৎক্ষণিকভাবে সেই তথ্য বন্দরের সিস্টেমে প্রতিফলিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত থাকবে। কাস্টমসের চূড়ান্ত ছাড়পত্র পাওয়ার পরই পুনরায় প্রক্রিয়া চালু হবে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, এই ডিজিটাল রূপান্তরের ফলে দাপ্তরিক কাগজের ব্যবহার ও প্রিন্টিং ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ডকুমেন্টেশন প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও সময়সাশ্রয়ী হবে।

এ ছাড়া প্রতিটি ধাপ অনলাইনে সম্পন্ন হওয়ায় জালিয়াতি, ভুয়া নথিপত্রের ব্যবহার এবং প্রশাসনিক অনিয়ম প্রতিরোধ করা সহজ হবে। ব্যবহারকারীরা নিজ নিজ অনলাইন প্যানেলে লগইন করে যেকোনো সময় তাদের আবেদন বা নথির বর্তমান অবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারবেন।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক, স্বচ্ছ ও দক্ষ বন্দর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে এবং দেশের সামুদ্রিক বাণিজ্য ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ