শিরোনাম
সরকার ও বিত্তবানদের এই দুর্যোগে বাঁশখালীবাসীর পাশে থাকার আহবান বিরোধীদলীয় নেতা ডাঃ শফিকুর রহমান সাতকানিয়ায় পল্লী বিদ্যুতের ৩৩ কেভি সাবস্টেশনে বন্যার পানি, ১৬ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন বিমানবন্দরের রানওয়ে সুরক্ষায় ১২ নম্বর খাল পুনঃখনন করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্যাকবলিত সাতকানিয়ায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াত আমীর, ত্রাণ ও নগদ সহায়তা বিতরণ বাঁশখালীতে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস জামায়াত আমীরের শিলকুপে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে এনামুল হক, ঘরে ঘরে পৌঁছাচ্ছে ত্রাণ চন্দনাইশে দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে জলাবদ্ধতায় ঘরবন্দী মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরীর, চলবে ত্রাণ কার্যক্রম সাতকানিয়ায় সাঙ্গু নদীর বাঁধ ভেঙে শতাধিক গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি হাজারো পরিবার পুকুরিয়ায় পানিবন্দি পরিবারের পাশে জামায়াত, বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন

পানির ভয়াবহতায় নীরবে কাঁদছে পুকুরিয়ার পানিবন্দি ৩ শতাধিক পরিবার

আফনান চৌধুরী, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি / ৫৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলো পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে পুকুরিয়া ইউনিয়নের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৩শতাধিক পরিবার জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে পড়েছে।

ইতোমধ্যে কয়েকশত বসতঘরে পানি প্রবেশ করেছে। অন্যদিকে ইউনিয়নের পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় পাহাড়ধসের আশঙ্কায় অনেক পরিবার ইতোমধ্যে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের পরিস্থিতি হতে পারে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ইউনিয়নের ১,২,৩ নম্বর ওয়ার্ডের হাজীগাঁ – বরুমছড়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুলালপাড়া,চারারকুল,বনিকপাড়া,তেলিপাড়া,খন্দকারপাড়া সহ ৩ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশনের পথ ও কালভার্ট প্রভাবশালী মহল দখল করে বসতঘর নির্মাণ করায় পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফলে সামান্য অতিবৃষ্টিতেই বিস্তীর্ণ এলাকা জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছে।বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মনিরুল মান্নান চৌধুরী ও ফারুকুজ্জামান বলেন,সম্প্রতি টানা ভারী বর্ষণে আমাদের গ্রামের ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকা বর্তমানে সম্পূর্ণ পানিবন্দি। অপরিকল্পিত নিষ্কাশন ব্যবস্থা, ভরাট হয়ে যাওয়া খাল, নালা এবং পানি প্রবাহের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ্রামের বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে।
জলাবদ্ধতার কারণে গ্রামের স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কৃষিজমি ও মৎস্য খামারের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

পুকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আসহাব উদ্দিন বলেন,গত কয়েক বছরে এমন টানা ভারী বৃষ্টিপাত দেখা যায়নি। অতিবর্ষণের কারণে পাহাড়ে বসবাসকারী অনেক মানুষ ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আছেন। একই সঙ্গে ইউনিয়নের পূর্বাঞ্চলের প্রায় ৩ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থে দীর্ঘদিনের পানি চলাচলের পথ ও কালভার্ট বন্ধ করে দেওয়ায় স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলেই অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পানি চলাচলের পথ উন্মুক্ত থাকলে এমন দুর্ভোগের মুখে পড়তে হতো না।’

চেয়ারম্যান আরও জানান, তিনি সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গ্রামপুলিশ পানিবন্দি পরিবারের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ