শিরোনাম
বন্যার্তদের খোঁজে সাতকানিয়ায় জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, বিতরণ করলেন ত্রাণ সরকার ও বিত্তবানদের এই দুর্যোগে বাঁশখালীবাসীর পাশে থাকার আহবান বিরোধীদলীয় নেতা ডাঃ শফিকুর রহমান সাতকানিয়ায় পল্লী বিদ্যুতের ৩৩ কেভি সাবস্টেশনে বন্যার পানি, ১৬ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন বিমানবন্দরের রানওয়ে সুরক্ষায় ১২ নম্বর খাল পুনঃখনন করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্যাকবলিত সাতকানিয়ায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াত আমীর, ত্রাণ ও নগদ সহায়তা বিতরণ বাঁশখালীতে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস জামায়াত আমীরের শিলকুপে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে এনামুল হক, ঘরে ঘরে পৌঁছাচ্ছে ত্রাণ চন্দনাইশে দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে জলাবদ্ধতায় ঘরবন্দী মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরীর, চলবে ত্রাণ কার্যক্রম সাতকানিয়ায় সাঙ্গু নদীর বাঁধ ভেঙে শতাধিক গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি হাজারো পরিবার
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন

সাতকানিয়ায় সাঙ্গু নদীর বাঁধ ভেঙে শতাধিক গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি হাজারো পরিবার

সত্যপীরে সড়ক তলিয়ে চট্টগ্রাম–বান্দরবান যোগাযোগ বিপর্যস্ত / ৬৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। সাঙ্গু নদীর বিভিন্ন স্থানে তীর রক্ষা বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করায় উপজেলার শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে হাজারো পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে উপজেলার সত্যপীর এলাকায়। সেখানে চট্টগ্রাম–বান্দরবান মহাসড়কের ওপর পানি উঠে যাওয়ায় যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে বান্দরবানের সঙ্গে চট্টগ্রামের সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যানবাহন আটকা পড়ে যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।

বন্যার পানিতে বাজালিয়া, মাহালিয়া, কেঁওচিয়া, ছদাহা, চরতি ও এওচিয়াসহ সাতকানিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। অনেক বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে, তলিয়ে গেছে গ্রামীণ সড়ক। এতে শিক্ষা কার্যক্রম, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

এদিকে বাজালিয়া কলেজ, নাজমুল উলুম মাদ্রাসাসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি প্রবেশ করায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে সাঙ্গু নদীর ভাঙন রোধে তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ বা সংস্কারের আশ্বাস দেওয়া হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয় না। বর্ষা শেষে বিষয়টি আর গুরুত্ব পায় না। ফলে বছরের পর বছর একই দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন তারা।

বন্যায় গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগিসহ গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি কৃষিজমি, সবজিক্ষেত ও মাছের ঘের পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনেক এলাকায় নিরাপদ আশ্রয় ও পশুখাদ্যের সংকটও দেখা দিয়েছে।

দুর্গত এলাকার বাসিন্দারা দ্রুত ত্রাণ বিতরণ, উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার এবং সাঙ্গু নদীতে স্থায়ী তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রতি বছরের পুনরাবৃত্ত বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ