শিরোনাম
চন্দনাইশে জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া, এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ বছর ঘুরলেই বন্যা-ভাঙনের আতঙ্ক, সাতকানিয়ায় নদীশাসনের দাবি বাংলাদেশের ওপর আর কোনো তাবেদারি চলবে না- ভূমি প্রতিমন্ত্রী পরিবেশ সংরক্ষণে বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলজ-বনজ গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর বাঁশখালী সফর উপলক্ষে প্রস্তুতি পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের পর্দা নামল সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ৩৫ নম্বর বক্সীরহাট ওয়ার্ডে যুবদলের বৃক্ষরোপণ হাসিনাকে ফেরানোর অভিযোগে চবিতে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি রোগমুক্তির প্রলোভন দেখিয়ে ওষুধ বিক্রি, সাতকানিয়ায় চার ভুয়া চিকিৎসকের জরিমানা রেলওয়ে জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন, চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণে দিকনির্দেশনা
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ন

মা-বাবা হত্যা মামলায় নতুন মোড়: ছেলের দেওয়া তথ্যেই মিলল হত্যার আলামত

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : / ১১৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার আলোচিত মা-বাবা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নিহত দম্পতির একমাত্র ছেলে রমিরাজ দাশ (৩১)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করার পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত কাঁচি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে রমিরাজ দাশের বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গুজরা এলাকার চৈতন্য মহাজন বাড়িতে পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে তিনি প্রথমে তার মা কল্পনা দাশ গুপ্তকে কাঁচি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। মাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে বাবা স্বপন দাশ গুপ্তকেও একই কাঁচি দিয়ে গলা ও পেটে আঘাত করেন।

ঘটনাস্থলেই কল্পনা দাশ গুপ্তের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত স্বপন দাশ গুপ্তকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত রমিরাজ দাশ নিজ কক্ষেই অবস্থান করছিলেন। খবর পেয়ে আনোয়ারা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আটক করে। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার বিষয়টি স্বীকার করলে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঁচিটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক কলহ ও দীর্ঘদিনের মানসিক ক্ষোভের বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো কারণ, পরিকল্পনা বা প্ররোচনা রয়েছে কি না, সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, নিহত স্বপন দাশ গুপ্তের ভাই তপন দাশ গুপ্ত (৫৭) বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গুজরা এলাকার চৈতন্য মহাজন বাড়িতে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ