শিরোনাম
চট্টগ্রামে শহীদ জিয়া-খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু বন্দরে দুই জাহাজের সংঘর্ষ, অক্ষত ৩৩ হাজার টন ডিজেল ভাটিয়ারীতে শিপইয়ার্ডে বিস্ফোরণ, নিহত ৪; আশঙ্কাজনক কয়েকজন ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন গ্রহণ পদুয়া মাদরাসায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা চবিতে অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক এডুকেশন এক্সপো-২০২৬ চট্টগ্রামে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা: অপরাধ দমনে কঠোর হওয়ার নির্দেশ সিএমপি কমিশনারের বন্যায় ক্ষতি, তবুও থেমে নেই কৃষক; আমন ও সবজি চাষে ব্যস্ত সাতকানিয়া ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের ৫০ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপির ডেলিগেট—আনোয়ারায় ‘হারুন’কে ঘিরে তৃণমূলের ক্ষোভ
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৩ অপরাহ্ন

হাসিনাকে ফেরানোর অভিযোগে চবিতে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি

চবি প্রতিনিধি / ৬০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) রাষ্ট্র ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ লক্ষ্যে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

৬ আগস্ট ( বৃহস্পতিবার) ডেপুটি রেজিস্ট্রার খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, “সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক সংগঠনকে সক্রিয় করার লক্ষ্যে দেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের অপতৎপরতা সংক্রান্ত একটি সংবাদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, “এ ধরনের কর্মকান্ড দেশের প্রচলিত আইন, বিচারিক প্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্র ও শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ডের শামিল। নিষিদ্ধ সংগঠনের কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত হওয়া এবং শৃঙ্খলা বিরোধী তৎপরতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় তথা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো গুরুতর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে এ ধরনের কর্মকান্ডে জড়িত থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা, নৈতিক অবস্থান এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩ এর ৫৫(৩) ধারা ও চিটাগং ইউনিভার্সিটি এমপ্লয়িজ (ইফিসিয়েন্সি অ্যান্ড ডিসিপ্লিন) স্ট্যাটিউটস অনুযায়ী এই ধরনের কর্মকাণ্ড অশিক্ষকসুলভ, অসদাচরণ ও নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ। যারা এরূপ কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত এই বিধি-বিধান এবং দেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এরূপ কর্মকান্ডে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে প্রচলিত নিয়মে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন “ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি” গঠন করেছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ