শিরোনাম
সন্দ্বীপে পুলিশ সদস্য অপহরণে গ্রেপ্তার এক, অভিযান অব্যাহত ডেভিড ইমনসহ সন্ত্রাসীদের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ৭ বটতলীতে ‘মাদককে না বলি’—মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান চবিতে শিক্ষকসহ বহিষ্কার ৩, বহিষ্কার বাতিল ১ জনের চবিতে চক্রাকার বাস চালুর দাবিতে প্রধান ফটক বন্ধ করে চাকসুর অবস্থান দুর্ঘটনার ৫ দিন পর হাটহাজারী কলেজ শিক্ষার্থী মাহিনের মৃত্যু রেকর্ড কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের স্বীকৃতি, চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিকদের ১৬.৬৪ কোটি টাকার বোনাস অপরাধ দমনে বিশেষ সাফল্য, রাঙ্গামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের সদস্যদের নগদ পুরস্কার রাঙামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ১১ আসামি গ্রেপ্তার; ৪০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানের বিশেষ দূত সাসাকাওয়ার সাক্ষাৎ, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোর
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন

সন্দ্বীপে পুলিশ সদস্য অপহরণে গ্রেপ্তার এক, অভিযান অব্যাহত

সন্দ্বীপ সংবাদদাতা / ৩৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে পুলিশ কনস্টেবল জামালকে অপহরণ করে চাঁদা দাবির অভিযোগে আব্দুল করিম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের পণ্ডিতের হাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুল করিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। সন্দ্বীপ থানা পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, মুছাপুর ইউনিয়নের একই এলাকার বাসিন্দা পুলিশ কনস্টেবল জামালকে অপহরণ করে চাঁদা দাবির অভিযোগে আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মুছাপুর ইউনিয়নের নির্জন এলাকা হিসেবে পরিচিত ‘ধাম’কে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র অপহরণ, আটকে রাখা, মারধর এবং জিম্মি করে অর্থ আদায়ের মতো অপরাধে জড়িত। এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আরও ব্যাপক তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়ভাবে আরও অভিযোগ রয়েছে, ওই এলাকায় কয়েকজনকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার পর তাদের হাতে জোরপূর্বক ইয়াবা ট্যাবলেট ধরিয়ে দেওয়া এবং আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে গ্রেপ্তার আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে এর আগেও একই এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, গত বছর পিডিবির সাবেক ঠিকাদার মিলাদুদ্দিন মুন্নাকে ‘ধাম’ এলাকা থেকে তুলে নিয়ে মারধর, টাকা দাবি এবং তার সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছিল।

সন্দ্বীপ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুজন হালদার বলেন, কনস্টেবল জামালকে অপহরণের ঘটনায় আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত ও অভিযান পাশাপাশি চলছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ