শিরোনাম
টেন্ডারে বাদ, পরে অপারেটর—কীভাবে? কুতুবদিয়া-বহির্নোঙরে জাহাজ বরাদ্দ নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন বিরোধ পরিবেশবান্ধব পর্যটন গড়ে তোলার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর বায়েজিদ লিংক রোড থেকে ৮ হাজার ২৮৫ পিস ইয়াবাসহ ৩ রোহিঙ্গা গ্রেফতার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের চন্দনাইশ পৌরসভার খসড়া মহাপরিকল্পনা উপস্থাপন, চিহ্নিত ৯ ওয়ার্ডের নানা সমস্যা পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, রেল যোগাযোগ বন্ধ ওয়াগ্গা ইউনিয়নের উন্নয়নে ৮ দফা পরিকল্পনা নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী মাইনুল ইসলাম ফাহাদ চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের পুনর্বহালের দাবিতে পটিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ জিয়া-খালেদার পর এবার জাতিসংঘে তারেক রহমান গোমদণ্ডী পাইলট মডেল স্কুলে দায়িত্বের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন

হাসিনাকে ফেরানোর অভিযোগে চবিতে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি

চবি প্রতিনিধি / ১২৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) রাষ্ট্র ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ লক্ষ্যে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

৬ আগস্ট ( বৃহস্পতিবার) ডেপুটি রেজিস্ট্রার খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, “সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক সংগঠনকে সক্রিয় করার লক্ষ্যে দেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের অপতৎপরতা সংক্রান্ত একটি সংবাদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, “এ ধরনের কর্মকান্ড দেশের প্রচলিত আইন, বিচারিক প্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্র ও শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ডের শামিল। নিষিদ্ধ সংগঠনের কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত হওয়া এবং শৃঙ্খলা বিরোধী তৎপরতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় তথা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো গুরুতর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে এ ধরনের কর্মকান্ডে জড়িত থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা, নৈতিক অবস্থান এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩ এর ৫৫(৩) ধারা ও চিটাগং ইউনিভার্সিটি এমপ্লয়িজ (ইফিসিয়েন্সি অ্যান্ড ডিসিপ্লিন) স্ট্যাটিউটস অনুযায়ী এই ধরনের কর্মকাণ্ড অশিক্ষকসুলভ, অসদাচরণ ও নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ। যারা এরূপ কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত এই বিধি-বিধান এবং দেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এরূপ কর্মকান্ডে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে প্রচলিত নিয়মে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন “ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি” গঠন করেছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ