শিরোনাম
চবিতে সিট নিয়ে শিবির-ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ চট্টগ্রামে পানি সরবরাহে নতুন পিপিপি মডেল: আমির খসরু কাপ্তাইয়ে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা ‘গণভোটের গণরায় উপেক্ষা করে দেশ পরিচালনা বিএনপির সুস্পষ্ট রাজনৈতিক প্রতারণা’—মুহাম্মদ শাহজাহান রেলওয়েতে বড় রদবদল: পূর্বাঞ্চলের জিএম সুবক্তগীণ হলেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক হাসপাতালে ক্যান্সার আক্রান্ত যুবদল নেতা আব্বাস উদ্দিন, পাশে মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জিএম সুবক্তগীণ হলেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক সন্ত্রাসী-অপরাধীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিতে জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ অভিযান ঢাকা–দেওয়ানগঞ্জ রেলপথ পরিদর্শনে মহাব্যবস্থাপক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চট্টগ্রাম মহানগরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রামে পানি সরবরাহে নতুন পিপিপি মডেল: আমির খসরু

বার্তা টুডে ডেস্ক / ২৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সরকারের পক্ষে অর্থনীতির সব খাত এককভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। করদাতাদের অর্থ সঠিক ও প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম নগরের রেডিসন ব্লুতে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পানি সরবরাহ সেবার মানোন্নয়নে নতুন পিপিপি মডেল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আয়োজিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশে অবস্থিত নেদারল্যান্ডস দূতাবাস উদ্যোগটিতে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আগে উন্নয়নমূলক প্রায় সব কাজ সরকার একাই করত। কিন্তু বর্তমানে সরকারের পক্ষে সবকিছু এককভাবে করা সম্ভব নয়। জনগণের করের টাকা যথাযথ ও কার্যকরভাবে ব্যয় করতে সরকারের সঙ্গে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। পিপিপি মডেলে সরকার ও বেসরকারি খাত অর্থায়ন করবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এনজিওগুলো সহযোগিতা করবে।

তিনি বলেন, অংশীদারত্বের মাধ্যমে গড়ে তোলা মডেলটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি হবে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের পর এর রক্ষণাবেক্ষণও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

চট্টগ্রামের পানি সংকট প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, নগরের পানির সংকট মানুষের জন্য বড় ধরনের দুর্ভোগ সৃষ্টি করছে। নির্বাচিত দুটি এলাকায় প্রায় পানি নেই বললেই চলে। জনগণের কাছে বিশুদ্ধ পানি পৌঁছে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। এ লক্ষ্যেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে উদ্যোগটি শুরু করা হয়েছে। তবে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি চট্টগ্রামের পানি নিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নেও কাজ করা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ। এ সমস্যা সমাধানে কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

নেদারল্যান্ডসের অভিজ্ঞতার উদাহরণ তুলে ধরে আমির খসরু বলেন, দেশটির খালগুলোও একসময় ময়লা-আবর্জনায় ভরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। পরে সেগুলো সংস্কার করে পানি পরিবহন, মানুষের যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহনের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামেও এ ধরনের সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি নগরের জলপথগুলোকে কীভাবে পণ্য পরিবহনে কাজে লাগানো যায়, সেই সম্ভাবনাও কাজে লাগাতে চায় সরকার। এতে নগরবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পাশাপাশি চট্টগ্রামের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে অবস্থিত নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ও বাণিজ্য এবং উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ইয়ানা ভ্যান ডার লিন্ডেন, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. এটিএম তারিকুল ইসলাম এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়ামিন ফারুকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় সংশ্লিষ্ট তিনটি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য একটি উদ্ভাবনী সরকারি-বেসরকারি পানি সরবরাহ মডেল অনুসন্ধান ও পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়ন করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ