শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে সাংস্কৃতিক চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ সাতকানিয়ায় বারোমাসি তরমুজ চাষে কৃষকের সাফল্য, বাড়ছে মার্সালো-আস্তা-ব্ল্যাকবেবির চাহিদা সাতকানিয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও মহড়া হরিনাম সংকীর্তনের মাধ্যমে মানবজীবন সুন্দর করা সম্ভব: রনজিত কান্তি দেব দুর্গাপূজায় দর্শনার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে নিজ অর্থায়নে সড়ক মেরামত করছেন শাহাদাত হোসাইন ৩০০ বছরের পুরোনো পূজামণ্ডপ প্রথমবার একসঙ্গে পরিদর্শন করলেন চট্টগ্রামের ডিসি-এসপি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক বন্ধন রক্ষায় সবাইকে সজাগ থাকতে হবে: ডিসি জাহিদুল ইসলাম  দুর্গাপূজাকে ঘিরে গুজব ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে-এসপি মাসুদ রাঙ্গামাটিতে দুর্গাপূজা উপলক্ষে জামায়াতের মতবিনিময় সভা, নিরাপত্তা ও সম্প্রীতিতে গুরুত্ব চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের দুই নেতার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন

“নিরাপদ বন্দর, সমৃদ্ধ দেশ” প্রতিপাদ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে নিরাপত্তা সপ্তাহ সমাপ্ত

বার্তা টুডে ডেস্ক / ১৪১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে “বন্দর নিরাপত্তা সপ্তাহ-২০২৬”। গত ১০ মে শুরু হওয়া সপ্তাহব্যাপী এ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠান আজ শহীদ ফজলুর রহমান মুন্সী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর আহমেদ আমিন আব্দুল্লাহ।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, “নিরাপদ বন্দর, সমৃদ্ধ দেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত নিরাপত্তা সপ্তাহ বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিরাপদ বন্দর গড়ে তুলতে কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য নিরাপত্তা সচেতনতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সচেতনতামূলক ও বাস্তবধর্মী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা সচেতনতামূলক র‍্যালি, সেফটি ব্রিফিং, অগ্নিনির্বাপন ও জরুরি উদ্ধার মহড়া (মক ড্রিল), প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ এবং বন্দরের অভ্যন্তরীণ ট্রাফিক সাইন ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে নিরাপত্তা প্রচারণা।

এছাড়াও বন্দরের আওতাধীন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুর্যোগ মোকাবিলা ও নিরাপত্তা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এসব কার্যক্রমে শিক্ষার্থীরা দুর্যোগকালীন করণীয়, অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ এবং প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ে ধারণা লাভ করে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রশিক্ষিত জনবল এবং নিরাপত্তা কর্মীদের পেশাদারিত্ব চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করেছে। তারা জানান, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বন্দর কর্তৃপক্ষ সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিরাপত্তা সপ্তাহের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন। তারা ২৪ ঘণ্টা দেশের স্বার্থে বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্টেকহোল্ডার, শ্রমিক নেতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে বিভাগীয় প্রধানদের মাঝে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে, “বন্দর নিরাপত্তা সপ্তাহ-২০২৬” এর মাধ্যমে সৃষ্ট সচেতনতা ও নিরাপত্তা সংস্কৃতি ভবিষ্যতেও বন্দরের দৈনন্দিন কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং একটি টেকসই নিরাপদ কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ