বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস)-এর ১০ম জাতীয় সম্মেলনে নির্বাহী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারী দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এবং শ্রম আদালতের সদস্য এডভোকেট এম আর মঞ্জু।
৫ সেপ্টেম্বর শনিবার রাজধানীর আইডিইবি কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত বিলসের ১০ম জাতীয় সম্মেলনে ২১ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাহী পরিষদ নির্বাচিত করা হয়। এতে এডভোকেট এম আর মঞ্জু কার্যকরী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
সম্মেলনে বিলসের মহাসচিব পদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শ্রমিক নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম খান। সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এমপি ও শ্রমিক দল সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার হোসাইন। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলসহ দেশের ১৪টি শ্রমিক ফেডারেশনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ নির্বাহী পরিষদের বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শ্রম বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. মাহদী আমিন। অনুষ্ঠানে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর, জিএলএএফ সভাপতি, আইটিইউসি প্রতিনিধি, শ্রম সচিব, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিলস বাংলাদেশের শ্রম গবেষণা ও শ্রমশিক্ষা বিষয়ক অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। শ্রমিকদের অধিকার, ট্রেড ইউনিয়নের সক্ষমতা বৃদ্ধি, শ্রমনীতি ও শ্রম আইন বিষয়ে গবেষণা এবং শ্রমিকদের শিক্ষামূলক কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা রয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও সরকারের সঙ্গে শ্রমসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করে আসছে বিলস।
এডভোকেট এম আর মঞ্জুর বিলসের নির্বাহী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় শ্রমিক সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, দীর্ঘদিনের শ্রমিক সংগঠন ও শ্রম আইন বিষয়ে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি শ্রমিকদের অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায্য দাবি আদায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে এডভোকেট এম আর মঞ্জু বলেন, শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, শ্রমবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং শ্রমিক সংগঠনগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর চেষ্টা করবেন। বিলসের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে শ্রমিকদের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।