শিরোনাম
কোরআনের হাফেজ তৈরির অঙ্গীকারে গাউছিয়া ছালেকিয়া মাদ্রাসার ছবক অনুষ্ঠান সম্পন্ন চন্দনাইশের বরমায় ৩ হাজার ৫০০ বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে আবদুর রহিম চৌধুরী ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিনেত্রীর মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ দুবাইয়ে বাংলাদেশিদের ভিসা জটিলতা নিরসনে সমন্বিত কূটনৈতিক উদ্যোগের আহ্বান গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ডে ‘বেস্ট ইন্ট্রাপ্রেনার’ আফরোজা হক বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চলে এক লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা, বললেন অর্থমন্ত্রী আশ শিফা দিয়ামনি-ই কমিউনিকেশনের স্টার অ্যাওয়ার্ডে সম্মানিত খন্দকার রুহুল আমিন সিআইপি ত্রাণ বিতরণে যুবলীগ নেতাকে দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগ, সাতকানিয়ায় বিএনপির তীব্র প্রতিবাদ বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী: প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য, প্রাকৃতিক সম্পদ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার এক অনন্য জনপদ মা-বাবা হত্যা মামলায় নতুন মোড়: ছেলের দেওয়া তথ্যেই মিলল হত্যার আলামত
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন

গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ডে ‘বেস্ট ইন্ট্রাপ্রেনার’ আফরোজা হক

হ্নদয় খান / ৩৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

সফল উদ্যোক্তা হিসেবে অনেক আগেই পরিচিতি পেয়েছেন আফরোজা হক। এবার সেই সাফল্যের স্বীকৃতি পেলেন তিনি। শুক্রবার (২৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ড- এ ‘বেস্ট ইন্ট্রাপ্রেনার’ হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। এর আগে চলতি বছরের মার্চে ‘বাইফা অ্যাওয়ার্ড’-এও সম্মানিত হন এই উদ্যোক্তা।

মাত্র দুই লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে ২০১৮ সালে রাজধানীর পুলিশ প্লাজায় ব্যবসা শুরু করেছিলেন আফরোজা। দীর্ঘ আট বছরের পরিশ্রম, ধৈর্য ও অধ্যবসায়ে সেই উদ্যোগ আজ পেয়েছে বড় পরিসর। বর্তমানে ঢাকায় দুটি শপের কর্ণধার তিনি। সীমান্ত সম্ভারে শপের পাশাপাশি অনলাইনেও পরিচালনা করছেন নিজের ব্যবসায়িক কার্যক্রম।

শরীয়তপুরের মেয়ে আফরোজা বেড়ে উঠেছেন ঢাকায়। ইডেন মহিলা কলেজ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করার পাশাপাশি হোটেল ম্যানেজমেন্ট নিয়েও পড়াশোনা করেছেন। কর্মজীবনে রেডিসনে প্রায় পাঁচ বছর কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের পর নিজের উদ্যোগে ব্যবসায় নামেন তিনি।

ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি আফরোজা হকের রয়েছে আরও বড় স্বপ্ন। দেশের প্রতিটি শহরে নিজের কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে চান তিনি। নারীদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের পণ্য নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি এমন একটি পরিসর তৈরি করতে চান, যেখানে নারীরা স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পাবেন। তার লক্ষ্য, নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলা এবং তাদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করা।

আফরোজা মনে করেন, নারীরা ঘরে বসে না থেকে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু করা উচিত। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর মাধ্যমে একজন নারী যেমন আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন, তেমনি পরিবার ও সমাজেও তার অবস্থান আরও শক্ত হয়। তাই ভবিষ্যতে নিজের উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি নারীকে কাজের সঙ্গে যুক্ত করতে চান তিনি।

নতুন উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে আফরোজা হক বলেন, ব্যবসা শুরু করার পর প্রথম দিকে নানা ধরনের বাধা ও প্রতিকূলতা আসতে পারে। তবে কোনো অবস্থাতেই সহজে হাল ছেড়ে দেওয়া যাবে না। সফল হতে হলে নিজের কাজের প্রতি বিশ্বাস রাখতে হবে, ধৈর্য ধরতে হবে এবং নিয়মিত পরিশ্রম করে যেতে হবে।

তার মতে, একদিনে কেউ সফল উদ্যোক্তা হয়ে ওঠেন না। ছোট পরিসর থেকেই শুরু করে ধীরে ধীরে নিজের কাজকে এগিয়ে নিতে হয়। শুরুতে প্রত্যাশা অনুযায়ী সাফল্য না এলেও হতাশ হওয়া যাবে না। বরং ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন কিছু শেখার মানসিকতা রাখতে হবে এবং সময়ের সঙ্গে নিজেকে ও নিজের উদ্যোগকে পরিবর্তন করতে হবে।

আফরোজা আরও বলেন, শুধু লাভের চিন্তা না করে একজন উদ্যোক্তাকে নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ রাখতে হবে। প্রতিটি ছোট অর্জনকে গুরুত্ব দিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। কারণ ধৈর্য, পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস ও নিজের লক্ষ্যের প্রতি অবিচল থাকাই একসময় বড় সাফল্যের পথ তৈরি করে।
দুই লাখ টাকা দিয়ে শুরু করা একটি উদ্যোগ থেকে আজ ঢাকায় ২টি শপের কর্ণধার তিনি। সাফল্যের সিড়ি বেয়ে ওঠা এবং স্বকৃতি হিসেবে একের পর এক সম্মাননা অর্জন, আফরোজা হকের এই পথচলা নতুন উদ্যোক্তাদের জন্যও অনুপ্রেরণার গল্প। মেধা শ্রম দিয়ে নিজের প্রতিষ্ঠান আরও সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে যাবেন তিনি পাশাপাশি দেশ ও সমাজের জন্য রাখবেন উল্লেখযোগ্য অবদান। এমনটাই প্রত্যাশা তার ভক্ত ও অনুরাগীদের। আফরোজা হক তার প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্টদের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ