কুমিল্লা থেকে যাত্রীবাহী বাসে করে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজারে গাঁজা পাচারের সময় ফেনীতে র্যাব-৭-এর অভিযানে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় বাসের লাগেজ বক্সে কৌশলে রাখা দুটি ট্রাভেল ব্যাগ থেকে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
রোববার (৩ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে ফেনী সদর উপজেলার রামপুর এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে এ অভিযান চালানো হয়।
আটক ব্যক্তির নাম মো. ফরিদুল আহম্মদ (৫০)। তিনি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সূর্গাপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার আলী আহম্মদের ছেলে।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম জানায়, গোপন সংবাদের মাধ্যমে তারা জানতে পারে, এক মাদক কারবারি গাঁজা নিয়ে যাত্রীবেশে কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের একটি আভিযানিক দল ফেনী সদর থানাধীন রামপুর এলাকায় র্যাব ক্যাম্পের প্রধান ফটকের সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে যানবাহনে তল্লাশি শুরু করে।
একপর্যায়ে কুমিল্লা থেকে কক্সবাজারগামী সেন্টমার্টিন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস চেকপোস্টে পৌঁছালে বাসটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। বাসের চালক, সুপারভাইজার ও যাত্রীদের সহযোগিতায় তল্লাশির সময় যাত্রীবেশে বসে থাকা ফরিদুল আহম্মদকে আটক করে র্যাব সদস্যরা।
পরে বাসটির বাম পাশের লাগেজ বক্স তল্লাশি করে দুটি কাপড়ের ট্রাভেল ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে একটি সবুজ-কালো রঙের ব্যাগে আটটি এবং অপর একটি নীল-কালো রঙের ব্যাগে সাতটি গাঁজার বান্ডেল পাওয়া যায়। বান্ডেলগুলো স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ছিল বলে জানিয়েছে র্যাব।
দুটি ব্যাগ থেকে মোট ১৫টি বান্ডেলে রাখা ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব-৭ জানায়, আটক ব্যক্তি ও উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের ফেনী সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।