শিরোনাম
টেন্ডারে বাদ, পরে অপারেটর—কীভাবে? কুতুবদিয়া-বহির্নোঙরে জাহাজ বরাদ্দ নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন বিরোধ পরিবেশবান্ধব পর্যটন গড়ে তোলার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর বায়েজিদ লিংক রোড থেকে ৮ হাজার ২৮৫ পিস ইয়াবাসহ ৩ রোহিঙ্গা গ্রেফতার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের চন্দনাইশ পৌরসভার খসড়া মহাপরিকল্পনা উপস্থাপন, চিহ্নিত ৯ ওয়ার্ডের নানা সমস্যা পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, রেল যোগাযোগ বন্ধ ওয়াগ্গা ইউনিয়নের উন্নয়নে ৮ দফা পরিকল্পনা নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী মাইনুল ইসলাম ফাহাদ চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের পুনর্বহালের দাবিতে পটিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ জিয়া-খালেদার পর এবার জাতিসংঘে তারেক রহমান গোমদণ্ডী পাইলট মডেল স্কুলে দায়িত্বের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ন

পরিবেশবান্ধব পর্যটন গড়ে তোলার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

বার্তা টুডে ডেস্ক / ৫৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দেশের জনগণের পাশাপাশি বাংলাদেশে আসা বিদেশি পর্যটকদের নির্বিঘ্ন চলাচল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি। তিনি বলেছেন, পর্যটন খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আরও প্রশিক্ষিত ট্যুরিস্ট পুলিশ ও নৌ পুলিশ নিয়োগ করা হবে।

২২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনের শৈলপ্রপাত মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা এবং এর বিকাশে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের পর্যটন খাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সুপরিকল্পিত, দীর্ঘমেয়াদি, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তা ও মানসম্মত সেবার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির নৈসর্গিক পাহাড়, বন, হ্রদ ও ঝরনার পাশাপাশি সেখানে বসবাসরত বিভিন্ন ভাষাভাষী জাতিসত্তার বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে ইকো-ট্যুরিজম, সাংস্কৃতিক ও অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সরাসরি সম্পৃক্ত করতে হবে। স্থানীয় মানুষ পর্যটন কার্যক্রমের সুফল পেলে এ অঞ্চলের সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, স্থানীয় মানুষ তাদের নিজস্ব প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় তারা অভ্যস্ত। তাই পার্বত্য অঞ্চলের স্থানীয় উদ্যোক্তাদের পর্যটন খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা গেলে একদিকে যেমন স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে, অন্যদিকে পর্যটনের সম্ভাবনাও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে।

প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, পর্যটন উন্নয়নের নামে কোনোভাবেই পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করা যাবে না। পর্যটন সুবিধার আধুনিকায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জোরদার করতে হবে।

সভায় অংশীজনরা দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা, মানসম্মত সেবা প্রদান এবং যাতায়াত ও যোগাযোগব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমদা আখতার, এনডিসি এবং পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ